কুমারখালীতে কালভার্টের মুখ বন্ধ, ৪শ’ হেক্টর জমিতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

কুষ্টিয়া কুমারখালীতে কালভার্টের মুখ বন্ধ করায় প্রায় ৪০০ হেক্টর আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ব্যাহত হবে চাষাবাদ। কৃষকরা বলছেন, যদি সময়মতো চাষাবাদ না করতে পারি, তাহলে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হবে।
সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার নন্দুলালপুর ইউনিয়নের পুরাতন চড়াই খোল জামে মসজিদের সামনে এলজিইডির অর্থায়নে নির্মিত একটি বক্স কালভার্টের মুখ বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলেছেন ওই এলাকার নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। নজরুল ইসলাম (৫০) ওই এলাকার মৃত - সোলায়মান আলী প্রামাণিকের ছেলে।
কালভার্টের দু'পাশে বহলবাড়িয়া ও ধাপাড়ে মাঠে প্রায় ৪০০ হেক্টর আবাদি জমি রয়েছে। যে জমিগুলো বর্ষা মৌসুমে বন্যার পলিমাটি থেকে বঞ্চিত হবে এবং অতি বর্ষণ হলে পানি নিষ্কাশন হবে না। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। এতে এলাকার কৃষকরা সময়মতো চাষাবাদ করতে পারবেন না বলে আশঙ্কা তাদের।

এলাকার কৃষক দুলাল শেখ জানান, এই ফসলের মাঠে ৩০০ থেকে ৪০০ একর জমি আছে। বর্ষাকালে এই জমিগুলোর পানি এই কালভার্ট দিয়ে চলে যায় এবং বন্যার পানি এলেও জমিতে পলিমাটি পড়ে। এতে জমিগুলো আরও উর্বর হয় এবং ফসল ভালো হয়। কালভার্টের মুখ বন্ধ করায় বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি আটকে জলাবদ্ধতা তৈরি হবে। এতে আমরা ফসল থেকে বঞ্চিত হব। এতে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়বেন কৃষক।
অভিযোগের ব্যাপারে নজরুল ইসলাম বলেন, কালভার্টের সামনে যে জমি সেটি আমাদের। আমরা এই জমিতে বালু ভরাট করে বাড়ি তৈরি করবো। আমাদের জমিতে আমরা যা ইচ্ছে তাই করতে পারি। এই কালভার্ট দিয়ে এখন আর পানি বের হয় না। সেই কারণে ভরাট করছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ, রাইসুল ইসলাম বলেন, কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দিলে, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। এতে চাষাবাদ ব্যাহত হবে এবং কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আমরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সরওয়ার বলেন, এই বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। সরকারি জায়গা দখল করে কেউ বালু ফেললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভিওডি বাংলা/জা







