কেএনএফ কানেকশন:
জালিয়াতি করে কারামুক্ত ‘রিংভো অ্যাপারেলস’ গার্মেন্টসের মালিক সাজেদুল

চট্টগ্রামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার গুদাম থেকে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) পোশাক জব্দের মামলার প্রধান আসামি সাজেদুল ইসলাম জামিন জালিয়াতি করে কারামুক্ত হয়েছেন। তিনি চট্টগ্রামে অবস্থিত ‘রিংভো অ্যাপারেলসের’ মালিক।
বিষয়টি নজরে এলে প্রধান বিচারপতি ঘটনা তদন্তে ৪৮ ঘন্টা সময় বেধে দিয়েছেন বলে সুপ্রীম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারাখানা থেকে কুকি চিন সংগঠনের ২০ হাজার পোশাক জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হলে প্রধান আসামী সাজেদুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। কিন্তু সম্প্রতি হাইকোর্টের আদেশ জালিয়াতি করে কারাগার থেকে সাজেদুলকে মুক্ত করে নেয় সহযোগীরা।

আদালত সূত্র জানায়, তথ্য গোপন করে হাইকোর্ট থেকে হাসিল করা হয় জামিন। সেই জামিনের আদেশে দুই বিচারপতির স্বাক্ষরের পর তা বদলে জাল কাগজ তৈরি করা হয়। বসানো হয় নতুন করে মামলার নাম্বার ও থানার নাম। পরে দাখিল করা হয় কারাগারে। এই জাল জামিন আদেশের ভিত্তিতেই কারাগার থেকে বেরিয়ে গেছেন চট্টগ্রামে ‘কুকি-চিনের’ ২০ হাজার পোশাক জব্দের ঘটনায় করা সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলার আসামি আসামি সাহেদুল ইসলাম। যিনি চট্টগ্রামে অবস্থিত ‘রিংভো অ্যাপারেলসের’ মালিক।
সাত মাস আগে উচ্চ আদালতে তথ্য গোপন ও জামিন জালিয়াতির ঘটনা ঘটলেও মামলার আরেক আসামি উচ্চ আদালতে জামিন নিতে এসে ওই আসামির জামিন প্রাপ্তির উদাহরণ টেনে আনলে বিষয়টি চলতি সপ্তাহে প্রকাশ পায়। এরপরই চাঞ্চল্যকর এই জামিন জালিয়াতির ঘটনা সরাসরি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নজরে আনেন রাষ্ট্রের শীর্ষ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
অ্যাটর্নি জেনারেলের অভিযোগ আমলে নিয়ে ঘটনা তদন্তে রেজিস্ট্রার জেনারেল হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীকে বুধবার (২৯ এপ্রিল) নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। একইসঙ্গে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রার জেনারেলকে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। ইতিমধ্যে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। অগ্রগতিও হয়েছে বেশ।
ভিওডি বাংলা/জা







