• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
চীনের প্রস্তাবগুলোর ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ বিবেচনা করা হবে: শেখ রবিউল আলম মাদক ঠেকাতে যুবসমাজকে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের আনোয়ারায় সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস স্থানীয় সরকার নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে: সংসদে মির্জা ফখরুল আদাবর থানার ওসিকে কোপাল ছিনতাইকারীরা, গুলি চালাল পুলিশ অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে মোশাররফ-জুঁই, আসলে যা ঘটেছিল কলকাতায় হত্যা মামলায় জামিন, কারামুক্তির পথে আবুল বারকাত শিশুর মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র আদিতমারী, পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে আহত ৩০

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে হবে: সংসদে নাহিদ ইসলাম

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৬ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে কঠোর অবস্থান জানিয়ে তার অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। রাষ্ট্রপতির নৈতিক বৈধতা নিয়েও তিনি তীব্র প্রশ্ন তোলেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আলোচনায় নাহিদ ইসলাম জানান, তিনি রাষ্ট্রপতির ভাষণ শোনেননি বা পড়েননি এবং সেই ভাষণ ও বক্তব্য প্রদানের সুযোগকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর ভাষায়, বর্তমান রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে অবস্থান কিংবা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

রাষ্ট্রপতির অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, দুদকের কমিশনার হিসেবে তাকে তিনটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল—খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতু সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে অব্যাহতি দেওয়া এবং ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো বাতিল করা।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিচারিক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়, যা ২০০১ সালের সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবেদন দেয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়, যা পরে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংক দুর্বল করার প্রক্রিয়ার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন, যার ফলে বহু আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একইসঙ্গে জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, 'এই দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ ও মিথ্যুক রাষ্ট্রপতিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।'

শেষে তিনি প্রশ্ন রাখেন, 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবি করেছিল। তখন বিএনপি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে তার পক্ষে অবস্থান নেয়। এখন যখন একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তখন কেন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না?'

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
জুলাই সহিংসতা মামলায় নিষিদ্ধ আ’লীগ নেতা কারাগারে
জুলাই সহিংসতা মামলায় নিষিদ্ধ আ’লীগ নেতা কারাগারে
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রুমিনের
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রুমিনের
সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের
সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের