• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

ভোট ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করেও লাভ হয়নি: মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৬ পি.এম.
ঢাকা-৮ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস
ঢাকা-৮ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস

নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা জনসমর্থনের কাছে টেকেনি—এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৮ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস। জয় পেলেও ভোট প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি এটিকে জাতির জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জুমার নামাজ শেষে শাহজাহানপুরে নিজের পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নির্বাচনী অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন।

তিনি দাবি করেন, ভোটগ্রহণের সময় বিপুল সংখ্যক ব্যালট অযৌক্তিকভাবে বাতিল করা হয়েছে। তার বক্তব্য, “একটি গোষ্ঠী সুকৌশলে জনগণের রায়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু জনজোয়ারের কাছে সেই ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ পর্যন্ত টেকেনি।”

ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রাপ্ত ভোট নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এদের তো কোনো জনভিত্তি বা ভোট নেই, তাহলে তারা এত ভোট পেল কী করে? এটিই প্রমাণ করে পর্দার আড়ালে কী ধরনের কারসাজি হয়েছে।”

ভোট পুনর্গণনার সম্ভাবনা আছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। তবে পুনরায় গণনা বা এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন–এর। তার ভাষায়, “কমিশন যদি মনে করে, তবে তারা পুনরায় ভোট গণনার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”

দীর্ঘ সময় পর বড় জয়ের পর দলীয় নেতাকর্মীদের সংযত থাকার আহ্বানও জানান তিনি। পাশাপাশি ধৈর্য ধরে দেশ পুনর্গঠনের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ভিওডি বাংলা/এমএস   


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় জামায়াতের শোক
ছবি: সংগৃহীত
সংসদ অধিবেশনে আখতার দেশকে আরও ১ লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধে ফেলেছে সরকার
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ১১ দলীয় জোটের