• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

সিএনএনের প্রতিবেদন

ইরান যুদ্ধে ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ পি.এম.
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা অস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ভবিষ্যতে চীন বা উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ ঘোষণা করার পর এ উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত মেরিন কর্নেল মার্ক কানসিয়ান বলেন, বর্তমান গতিতে যুদ্ধ চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত এমন পর্যায়ে নেমে যেতে পারে, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে।

সিএসআইএসের হিসাব অনুযায়ী, গত এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের অন্তত অর্ধেক থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর, প্রায় অর্ধেক প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রায় ৩০ শতাংশ টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গবেষক মাইকেল ও'হ্যানলন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত কমে গেছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

এই ঘাটতি পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। বর্তমানে পেন্টাগন প্রতি মাসে গড়ে মাত্র ১৫টি টমাহক ও ২০টি নতুন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে। আর ২০২৬ সালে নতুন কোনো থাড ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই।

সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা এলেন ম্যাককাসকার বলেন, অধিকাংশ অস্ত্রের মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দুই থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

এদিকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিশেষজ্ঞ জন ফেরারি বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য কংগ্রেস থেকে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ হয়নি। ফলে উৎপাদন এখনো স্বাভাবিক গতিতেই চলছে।

এই পরিস্থিতিতে হোয়াইট হাউস যুদ্ধ ব্যয় মেটাতে কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছে। পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে ‘ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট’ ব্যবহার করে উৎপাদন প্রক্রিয়া দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

তবে এসব পদক্ষেপের সুফল পেতে সময় লাগবে। কারণ নতুন উৎপাদন লাইন চালু করা সহজ নয়। উদাহরণ হিসেবে জাপানে একটি প্যাট্রিয়ট কারখানা নির্মাণে তিন বছর লেগেছে, আর জার্মানি ২০২২ সালে কাজ শুরু করলেও এখনো উৎপাদন শুরু করতে পারেনি।

ভিওডি বাংলা/আর 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
হামলার পুরনো ছবি
ইরানে খুজেস্তানের আট শহরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
ছবি: সংগৃহীত
ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪ হাজার ৪৯০
ছবি: সংগৃহীত
ব্যাংককের বারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৭