চেক প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে ১১২ কোটি টাকার চেক প্রতারণার এক মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাঁকে জামিন দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাদ্দেসুল আমিন জামিনের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ৯ জানুয়ারি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশের পক্ষে উজ্জ্বল মণ্ডল বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন। মামলায় পাঁচটি কোম্পানির নাম উল্লেখ করে ১০ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। মামলার অপর আসামিরা হলেন আহমেদ সায়ন ফজলুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইমরান মণ্ডল, মো. লুৎফর রহমান, মোছা. মাশকুরা খানম, মো. সাইফুর রহমান, আবু নাঈম মোহাম্মদ সালেহীন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর এবং এ এস এফ রহমান।
কোম্পানিগুলো হলো—বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেড, স্ক্যাপ হোল্ডিং লিমিটেড, এসএফআর হোল্ডিং লিমিটেড, এএসআর হোল্ডিং লিমিটেড এবং বেক্সিমকো হোল্ডিং লিমিটেড।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংকের বারবার তাগিদের পর বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেডের পক্ষ থেকে ১১২ কোটি টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়। ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর চেকটি এক্সিম ব্যাংকের হেড অফিস করপোরেট শাখায় জমা দিলে একই দিন ব্যাংক সেটি ‘ইনসাফিসিয়েন্ট ফান্ড’ (অপর্যাপ্ত তহবিল) উল্লেখ করে ফেরত দেয়। পরে ২৬ নভেম্বর নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ও ১৪০ ধারার বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে চেকের অর্থ পরিশোধের কথা জানানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিরা অর্থ পরিশোধ না করায় মামলা করা হয়।
উল্লেখ্য, জামিন আবেদন শুনানির সময় সালমান এফ রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৩ আগস্ট সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
ভিওডি বাংলা/আর








মন্তব্য