• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

ফ্যাসিস্ট আ. লীগ আমলে বঞ্চিত ১৫০ সামরিক কর্মকর্তার পুনর্বাসন

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ২ জুলাই ২০২৬, ০২:৩১ এ.এম.
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সশস্ত্র বাহিনীতে বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া ১৫০ কর্মকর্তার পুনর্বাসন ও আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা।

বুধবার (১ জুলাই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকার কর্মকর্তাদের আবেদন যাচাইয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট বাহিনী সদর দপ্তরগুলো পৃথক পর্ষদ গঠন করে। পরে গত ৩ মে গঠিত উচ্চপর্যায়ের আরেকটি কমিটি এসব সুপারিশ ও প্রস্তাব বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে।

চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে সরকারি এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, নৌবাহিনীর ২১ জন এবং বিমানবাহিনীর ১৪ জনসহ মোট ১৫০ কর্মকর্তা এই সুবিধার আওতায় আসবেন। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী স্বাভাবিক অবসর, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ অবসর, অকালীন বা বাধ্যতামূলক অবসর এবং পদোন্নতি দেওয়া হবে।

এ ছাড়া বিধি অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা, অন্যান্য আর্থিক সুবিধা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ আর্থিক প্রণোদনাও প্রদান করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জারি করা আগের সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ আমলে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছা অবসরে যাওয়া ১৪১ কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়েছিল।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা চাকরি পুনর্বহালের আবেদন করেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের বিভিন্ন অভিযোগ পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেয়। সুপারিশে বলা হয়, বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের সম্মান ও প্রাপ্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভিওডি বাংলা/এমএস 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ডা. জুবাইদা রহমান
সব জেলায় জরুরি ও জটিল চিকিৎসা নিশ্চিত করুন: ডা. জুবাইদা রহমান
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: ভিওডি বাংলা
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
জুলাইয়ে ভারী বৃষ্টিতে বন্যার পূর্বাভাস
জুলাইয়ে ৮-৯ দিন বজ্রঝড়, বন্যার পূর্বাভাস