{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
‘পাশেই জাহাজ ডুবছিল, মাথার ওপর উড়ছিল ক্ষেপণাস্ত্র’ ভিওডি বাংলায় সংবাদ প্রকাশের পর র‍্যাবের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ২ পুলিশে বড় রদবদল, ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন ভাঙারি ব্যবসায়ী হত্যা: মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ২ রাজধানীতে চলন্ত ট্রেন থেকে পা পিছলে যুবকের মৃত্যুু প্রশাসকদের আন্তরিকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে গতি এসেছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে যুদ্ধে প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত: পেন্টাগন জেল খাটাকালীনও মডেলিংয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণীদের ধর্ষণ মানবিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি, আনসার সদস্যকে মহাপরিচালকের সম্মাননা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪১ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মধ্য বাড্ডা এলাকায় স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে আদালতে মামলা লড়াইয়ের পর বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালত এ রায় প্রদান করেন।
ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী মঙ্গলবার ২১ (জুলাই) এ রায় দেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, মনির ব্যবসার কথা বলে টাকার জন্য সোমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। 

আসামি মনির হোসেনকে মৃত্যুেণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আবুল কাশেম জানান, মনির জামিনে ছিলেন। গত ১৪ জুলাই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করে দেয় এবং জামিন বাতিল করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। আজ মঙ্গলবার রায় ঘোষণার আগে মনিরকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান আসামির সর্বোচ্চ সাজার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০০৩ সালে মনির হোসেনের সঙ্গে শাকির খাতুন সোমার বিয়ে হয়। তাদের একটি মেয়ে হয়।এক পর্যায়ে মনির ও তার পরিবারের সদস্যরা সোমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে শুরু করে। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সোমা তা মেনে নেন। মনির ব্যবসার কথা বলে সোমাকে টাকার জন্য চাপ দিতেন। সোমার পরিবার বিভিন্ন সময় তাকে ১১ লাখ টাকা দেয়। কিন্তু আরও টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন মনির।
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি মারধর করে স্ত্রীকে বাসা থেকে বের করে দেন। সোমা তার মায়ের বাসা বাড্ডায় চলে যান।

আর কখনো এমন করবেন না-এমন অঙ্গীকার দিয়ে সোমাকে কয়েকদিন পর নিয়ে আসেন মনির। তারপরও নির্যাতন কমেনি। ৬ অক্টোবর দুপুরে টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বাধে। একপর্যায়ে মনির ছুরি দিয়ে সোমাকে জবাই করেন। সোমার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সোমার মা মোসা. আক্তার বানু ওইদিনই বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার করা হয় মনিরকে। তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন বাড্ডা থানার এসআই বায়েজীদ বোস্তামী। ২০১৮ সালের ১৭ মে অভিযোগ গঠন করে মনিরের বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।
বিচার চলাকালে আদালত ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের জবানবন্দি শোনে। আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মঙ্গলবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেন বিচারক।

ভিওডি বাংলা/আর 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
গ্রেপ্তার তানিম রেজা ওরফে বাপ্পি। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীতে সুব্রত বাইনের অস্ত্রভাণ্ডারের নিয়ন্ত্রক বাপ্পি গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত
ঢামেকে রোগী বাণিজ্য ঠেকাতে তৎপর আনসার
ছবি: সংগৃহীত
সাড়ে ছয় হাজার সিম জব্দ ডিবির বিশেষ অভিযানে ৬ অনলাইন জুয়াড়ী গ্রেপ্তার