রাজবাড়ীতে নামছে স্তর, দুষ্প্রাপ্য হচ্ছে পানি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
বিশ্ব পানি দিবস আজ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি বছর ২২ মার্চ দিবসটি পালন করা হয়। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে রাজবাড়ীর কৃষকরা। টিউবওয়েলে দিয়ে পানি না উঠায় সংকটে পড়েছে চার উপজেলার বাসিন্দারা। বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছেন জেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী।
পদ্মা নদীর রাজবাড়ী অংশের চিত্র এটি। বর্ষায় প্রমত্তা পদ্মা এখন শান্ত স্রোতস্বিনী। বুক চিরে জেগে উঠেছে ছোট বড় অসংখ্য চর। আর পাংশা, বালিয়াকান্দি, কালুখালী ও সদরের অধিকাংশ গ্রামে পানির স্তর নীচে নেমে গেছে। টিউবওয়েলে পানি উঠছে না। শুকিয়ে গেছে পুকুর ও খাল বিল।
একই অবস্থা পদ্মার শাখা গড়াই, জেলার মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া চন্দনা, চত্রা, সিরাজপুর হাওর, হড়াই ও মরাকুমার নদীর। খালের মত প্রবাহিত হচ্ছে পানি। নদী জুড়ে শুধুই ধুধু বালু চর।
এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় কৃষিতে সেচের জন্য বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে চাষীদের। সুপেয় পানির সংকট সমাধানে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজবাড়ী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু জাকারিয়া।
এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে কৃষি সেচের অবস্থা আরও খারাপ হবে বলে মনে করে রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। এমন পরিস্থিতিতে পানির অপচয় রোধ ও ভূগর্ভস্থ পানি পরিমিত মাত্রায় ব্যবহার করা এখন সময়ের দাবি।







