মাদকের টাকা না পেয়ে কোরআন শরীফে আগুন, আটক অভিযুক্ত

মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে মারধর এবং কোরআন শরীফ পোড়ানোর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। অভিযুক্ত ব্যক্তি জুয়েল রানা (৪০) নাটোরের লালপুর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, জুয়েল রানা স্ত্রীসহ ঈশ্বরদীর সাড়াগোপালপুর শেফালী পট্রি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত। মাদক সেবনের টাকার জন্য মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে মারধর করতেন। ঘটনার দিনও মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে উত্তম মধ্যম দেন। পরে তাকে খুঁটির সঙ্গে বেধে গলায় জুতার মাল পরিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে তার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তিকে থানা হেফাজতে নিয়ে যায় পুলিশ।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, ওই ব্যক্তি মাদকাসক্ত। মাদক সেবনের জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। স্ত্রী তাকে টাকা না দিয়ে কুরআন শরীফের ভেতর লুকিয়ে রেখেছিলেন। এ সময় ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীকে মারধর করতে থাকেন।
একপর্যায়ে খুঁজতে খুঁজতে কোরআন শরীফের ভেতর থেকে ওই ব্যক্তি টাকা খুঁজে পান। পরে স্ত্রীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আবারও মারধর শুরু করেন এবং কোরআন শরীফের পাতা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। এ সময় তার স্ত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এম এস রহমান/জা








মন্তব্য