ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে সহযোগিতার আগ্রহ ডব্লিউএফপির

সামাজিক সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, ফ্যামিলি কার্ড এবং পুষ্টি কর্মসূচিসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কারিগরি সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামার সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়। এ সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী ডব্লিউএফপির দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান। সরকার গঠনের পর থেকেই এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে এবং চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার শুধু আর্থিক সহায়তা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নেই; প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে সিড মানি দিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে তুলতে সহায়তা করা হচ্ছে। এ সময় তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমসিবিপি কর্মসূচি সম্পর্কেও ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টরকে অবহিত করেন।
মন্ত্রী জানান, সরকার পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় মিড-ডে মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণে কাজ করছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করার বিষয়েও নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে।
ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে নারীদের নামে কার্ড ইস্যুর সিদ্ধান্তকে তিনি সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে ডব্লিউএফপি কারিগরি সহায়তা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে প্রস্তুত রয়েছে।
এ সময় তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডব্লিউএফপির পরিচালিত কল্যাণমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন। পাশাপাশি সম্প্রতি চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য