{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথম মুখোমুখি মেসি ও তার ছেলে লামিনে, শুরুটা ১৯ বছর আগে

ভিওডি স্পোর্টস ডেস্ক    ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩ পি.এম.
উনিশ বছর আগে একটি দাতব্য ফটোশুটে শিশু লামিনে ইয়ামালকে কোলে নিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ছবি: এপি
উনিশ বছর আগে একটি দাতব্য ফটোশুটে শিশু লামিনে ইয়ামালকে কোলে নিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ছবি: এপি

বিশ্ব ফুটবলের দুই প্রজন্মের দুই তারকা- লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামাল। রবিবারের বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের জার্সিতে প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নামবেন তারা। তবে তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল প্রায় দুই দশক আগে, যখন মেসি ছিলেন ২০ বছরের তরুণ ফুটবলার আর ইয়ামালের বয়স ছিল মাত্র পাঁচ মাস।

২০০৭ সালে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে একটি ফটোশুটে তোলা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক ছবি। সেখানে দেখা যায়, তরুণ মেসি ছোট্ট লামিনে ইয়ামালকে কোলে নিয়ে গোসল করাচ্ছেন। ছবিগুলো তুলেছিলেন আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ত।

দুই বছর আগে স্পেনের হয়ে ইউরো ২০২৪ জয়ের সময় ইয়ামালের বাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, "দুই কিংবদন্তির সূচনা।" এরপরই ছবিগুলো বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

জোয়ান মনফোর্ত বিবিসিকে বলেন, "এটি ভাগ্যের এক অবিশ্বাস্য অলৌকিক ঘটনা। সিনেমার গল্পেও এমন কাকতালীয় ঘটনা বিশ্বাস করা কঠিন।"

তিনি জানান, ওই সময় বার্সেলোনা ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। বিজয়ী পরিবারগুলোর শিশুদের সঙ্গে বার্সেলোনার প্রথম দলের খেলোয়াড়দের ছবি তোলার সুযোগ দেওয়া হয়। লামিনে ইয়ামালের পরিবারও সেই প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হয়েছিল এবং কাকতালীয়ভাবে তাদের সঙ্গে জুটি বাঁধেন লিওনেল মেসি।

মনফোর্তের ভাষায়, "মেসি ছিলেন খুবই লাজুক ও অন্তর্মুখী। ড্রেসিংরুমে এসে হঠাৎ একটি ছোট্ট শিশুকে কোলে নিতে হবে—এতে তিনি প্রথমে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছিলেন। কিন্তু পরে দ্রুতই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেন।"

লামিনে ইয়ামালের বাবা মরক্কো বংশোদ্ভূত মুনির নাসরাউই এবং মা ইকুয়েটোরিয়াল গিনির শেইলা এবানা। অর্থনৈতিকভাবে কঠিন সময় পার করলেও তারা ছেলের ফুটবল স্বপ্ন বাস্তবায়নে সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

১৯ বছর পূর্ণ করা ইয়ামাল ইতোমধ্যেই বার্সেলোনার হয়ে ৫৬টি গোল করেছেন। জিতেছেন তিনটি লা লিগা, একটি কোপা দেল রে এবং স্পেনের হয়ে ইউরো ২০২৪ শিরোপা। অন্যদিকে ১৯ বছর বয়সে মেসির ঝুলিতে ছিল মাত্র ১১ গোল, একটি লা লিগা ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।

স্পেনের মাতারো শহরের শ্রমজীবী এলাকা রোকাফোন্দায় বেড়ে ওঠা ইয়ামাল প্রায়ই গোল উদযাপনের সময় আঙুল দিয়ে "৩০৪" ইশারা করেন, যা তার এলাকার পোস্টকোডের প্রতীক।

এর আগে এল পাইসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেন, "আমার মা-বাবা আমার জন্য যা করেছেন, তা আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না। অর্থ না থাকলে সন্তানকে ফুটবল খেলানো খুব কঠিন। তারা সেটাই সম্ভব করেছেন।"

এদিকে আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ত মনে করেন, বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসি ও ইয়ামালের মুখোমুখি হওয়া যেন তাদের দীর্ঘদিনের গল্পের স্বাভাবিক সমাপ্তি।

তিনি বলেন, "আমি বার্সেলোনার সমর্থক। মেসি যদি দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিয়ার শেষ করতে পারেন, সেটি হবে অসাধারণ। আবার ইয়ামালের সামনে এখনও অনেক সময় আছে। তবে সে যদি এখনই বিশ্বকাপ জেতে, সেটিও হবে অনন্য অর্জন। সত্যি বলতে, আমি কাকে সমর্থন করব বুঝতে পারছি না। আমার হৃদয় যেন দুই টুকরো হয়ে গেছে।"

সূত্র: বিবিসি

ভিওডি বাংলা/এমএস 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
১-০ তে এগিয়ে গেল স্পেন
ছবি: সংগৃহীত
অতিরিক্ত সময়ে গড়াল স্পেন–আর্জেন্টিনা ফাইনাল
ছবি: সংগৃহীত
এনজোর লাল কার্ড, ১০ জনে আর্জেন্টিনা