র্যাবের পৃথক অভিযান, মাদকসহ গ্রেপ্তার ২

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পৃথক দু’টি অভিযানে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও হেরোইনসহ প্রায় ৭২ হাজার টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও কয়েকটি মোবাইল ফোন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) র্যাব-১০ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার গোয়ালীমান্দ্রা এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১০-এর সিপিসি-২ শ্রীনগর ক্যাম্পের একটি দল।
রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে পরিচালিত প্রথম অভিযানে গোয়ালীমান্দ্রা এলাকা থেকে বর্ষা (১৮) নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি লৌহজং উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা গ্রামের ফারুক সরদারের মেয়ে।

এ সময় তার কাছ থেকে ২১০ গ্রাম গাঁজা এবং ১০৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৬ হাজার ৮০০ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
এ ছাড়া অভিযানে মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০ টাকা নগদ অর্থ এবং চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
একই রাতে প্রায় ১০টা ৫৫ মিনিটে একই এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মো. সাব্বির (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আলাউদ্দিন ওরফে আলালের ছেলে এবং গোয়ালীমান্দ্রা এলাকার বাসিন্দা।
তার কাছ থেকে ৩ দশমিক ৫ গ্রাম হেরোইন ও ২১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। এছাড়া দু’টি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
র্যাবের ভাষ্য, গ্রেপ্তার হওয়া দু’জনই পেশাদার মাদক কারবারি। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে রাজধানীর গেন্ডারিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিলেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।
উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ও জব্দ করা আলামতসহ গ্রেপ্তার দু’জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে র্যাব জানিয়েছে।
র্যাব-১০ আরও জানায়, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বড় হুমকি। মাদক নির্মূলে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নে বাহিনীটি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা








মন্তব্য