৯৯৯-এ কল
ট্রাকসহ ডাকাতি হওয়া ৩১ গরু উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থেকে ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়া ৩১টি গরুসহ একটি ট্রাক উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হলেও অভিযানের আগেই পালিয়ে যান ডাকাতদলের সদস্যরা।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর সহায়তায় এবং বিজয়নগর ও সরাইল থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে ট্রাকসহ গরুগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে সিলেটের জৈন্তাপুর থেকে একজন খামারি একটি ট্রাকে ভর্তি করে ৩১টি গরু নিয়ে নরসিংদীর একটি হাটে যাচ্ছিলেন। পথে বিজয়নগর উপজেলার শ্যামলীঘাট এলাকায় ৮ থেকে ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে ট্রাকের চালক ও হেলপারকে জিম্মি করে। চালক ও হেলপারের হাত বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গরুভর্তি ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা।
এক পর্যায়ে সঙ্গে থাকা রাখাল পালিয়ে গিয়ে স্থানীয় একজনকে বিষয়টি জানালে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং বিজয়নগর থানা ও সরাইল থানায় বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়।
৯৯৯ নম্বরে কলটি গ্রহণ করেছিলেন ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল আকবর হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ পুলিশ ডিসপাচার এসআই শহিদুল ইসলাম। ৯৯৯ থেকে সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন থানার টহলটিমটি সতর্ক হয়ে ওঠে। বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি দল ট্রাকটির পিছু নেয় পরে সরাইল থানার টহলটিমও তাতে যোগ দেয়।
সরাইল থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া ৯৯৯-কে জানান, পুলিশের ধাওয়া টের পেয়ে ডাকাতরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছেড়ে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কে প্রবেশ করে। বেতার বার্তার ভিত্তিতে ধরন্তী ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হলে তারা সেটি ভেঙে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তাকে চাপা দেওয়ারও চেষ্টা করে ট্রাকটি। পরে ধরন্তী এলাকায় ট্রাকটি ফেলে পাশের হাওরে পালিয়ে যায় ডাকাতরা।
ঘটনাস্থল থেকে ৩১টি ষাঁড়-বাছুর বোঝাই ট্রাক, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি নম্বরবিহীন মিনি ট্রাক, একটি ব্যাগ, আইফোন-৬ প্লাস মডেলের একটি মোবাইল ফোন, গাড়ির বিভিন্ন কাগজপত্র ও চাবি উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে হাত-পা ও চোখ বাঁধা অবস্থায় ট্রাকচালক হায়দার আলী ও হেলপার মো. হুমায়ুন কবির বিপ্লবকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ সংক্রান্ত একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এফএ








মন্তব্য