• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক আদালতের নির্দেশনা, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার আহ্বান মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: এক বছরেও শুরু হয়নি বিচার পরিবারের অভাব ঘোঁচাতে গিয়েছিলেন সৌদি, ফিরলেন লাশ হয়ে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১২, নিখোঁজ ২৩ জুলাইয়ের আগেও ভোট চুরি হয়েছিল, পরেও হয়েছে: হাসনাত ভোমরা স্থলবন্দরে ডায়মন্ডের নাকফুলসহ আটক ২ চট্টগ্রাম অঞ্চলের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করবেন প্রতিমন্ত্রী অমিত ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পর্যটনে নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ল

কবি আল মাহমুদের জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ শনিবার (১১ জুলাই)। বহুমাত্রিক কাব্যভাষা, লোকজ ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসব।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ। আজ শনিবার আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সাহিত্যবিষয়ক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হবে।

আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌড়াইল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

ষাটের দশকে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন তিনি। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত ‘সোনালি কাবিন’ তাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সারির কবিদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

ভাটি বাংলার নদী, চরাঞ্চলের জীবন, গ্রামীণ প্রেম-বিরহ, লোকজ সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক ভাষার সৃজনশীল ব্যবহারে আল মাহমুদের কবিতা পেয়েছে অনন্য শিল্পরূপ। তার বিখ্যাত কবিতার পঙ্‌ক্তি— ‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ/ দুপুর বেলার অক্ত/ বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায়?/ বরকতের রক্ত’— বাংলা কবিতার ইতিহাসে আজও সমানভাবে উচ্চারিত হয়।

কবিতার পাশাপাশি কথাসাহিত্যেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন আল মাহমুদ। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পানকৌড়ির রক্ত’, ‘কবি ও কোলাহল’ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘কাবিলের বোন’।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হন।

২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সাহিত্যের এই বরেণ্য কবি। তবে তার সৃষ্টিকর্ম আজও বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও অনুপ্রেরণার উৎস।

ভিওডি বাংলা/আ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি : সংগৃহীত
অনন্ত প্রাসঙ্গিক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী কাল
ছবি : সংগৃহীত
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী