বন্যাকবলিত চট্টগ্রামে উদ্ধার ও ত্রাণে মাঠে সেনাবাহিনী

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রামের একাধিক উপজেলা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। জেলা প্রশাসনের জরুরি অনুরোধে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এর আওতায় সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পর সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাকবলিত বিভিন্ন উপজেলায় অনুসন্ধান, উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

অবিরাম ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ এবং বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকারী দল এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে মৌসুমি ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনী জানায়, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে আটকে পড়া মানুষের সন্ধান ও উদ্ধারে সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (এসএআর) কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার সুবিধার্থে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাদুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ভিওডি বাংলা/এমএস/আ








মন্তব্য