বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা: এনসিপি

অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নেতারা বলেছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দেশে উল্টো দাম বাড়ানো হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে রাজধানীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। বাংলামোটর থেকে শুরু হয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে গিয়ে শেষ হওয়া মিছিলে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা অংশ নেন।
সমাবেশে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, দুই বছরের মধ্যে দাম না বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার এক মাসের মাথায় সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। এতে সরকারের ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবতার অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক ঋণ সংস্থাগুলোর চাপের কারণেও মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার সরে এসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হলেও কয়েক মাসের মধ্যেই তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের দামও বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রসঙ্গ টেনে তিনি সরকারের সমালোচনা করেন এবং জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে দেশ পরিচালনার অভিযোগ তোলেন।
জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলাম বলেন, মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাচ্ছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ব্যর্থ হলে এর জবাবদিহি করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর সমর্থন ছাড়া সরকারের টিকে থাকা কঠিন হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক আসাদ বিন রনি, মহানগর উত্তর এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির মহানগর সম্পাদক মুহতাসীম ফুয়াদসহ অন্যান্য নেতারা।
ভিওডি বাংলা/আ







