ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে আবারও কর্মচাঞ্চল্যে ফিরছে রাজধানী। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও ব্যক্তিগত যানবাহনে করে কর্মজীবী মানুষ রাজধানীতে ফিরলেও এখন পর্যন্ত প্রবেশপথগুলোতে বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
সোমবার (১ জুন) থেকে সরকারি ও বেসরকারি অফিস-আদালত খুলে যাওয়ায় রোববার থেকেই ঢাকামুখী মানুষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।
রাজধানীর প্রধান পরিবহন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, কমলাপুর রেলস্টেশন, গাবতলী, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকায় ফিরতি যাত্রীর চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে যাত্রীসংখ্যা বাড়লেও পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক থাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি কিংবা তীব্র ভোগান্তির চিত্র দেখা যায়নি। রেলপথে ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
ভোর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক ট্রেন কমলাপুর রেলস্টেশনে এসে পৌঁছায়। তবে উত্তরাঞ্চল থেকে আসা কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের তুলনায় বিলম্বে রাজধানীতে পৌঁছেছে। রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর এক্সপ্রেস প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে ঢাকায় আসে।

এছাড়া নীলসাগর এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস এবং পঞ্চগড় এক্সপ্রেস প্রায় আধাঘণ্টা বিলম্বে গন্তব্যে পৌঁছায়। একই ধরনের বিলম্বের অভিযোগ করেছেন নেত্রকোনা, জামালপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের কয়েকটি ট্রেনের যাত্রীরাও।রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, রোববার দেশের বিভিন্ন গন্তব্য থেকে মোট ৬৬টি ট্রেন যাত্রী নিয়ে রাজধানীতে এসেছে।
এর মধ্যে ৪৩টি ছিল আন্তঃনগর ট্রেন এবং বাকি ২৩টি লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেন। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন বলেন, ছুটি শেষে মানুষ ধীরে ধীরে কর্মস্থলে ফিরছেন। তবে অনেকেই এখনও পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
উত্তরবঙ্গের কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের পরে এলেও সামগ্রিকভাবে রেল চলাচলে বড় কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি। এদিকে বিমানবন্দর সড়কসহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে।
গাবতলী, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকায় গণপরিবহন এবং ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচলও স্বাভাবিক দিনের তুলনায় বেশি দেখা গেছে। তবুও কোথাও দীর্ঘস্থায়ী যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এখনও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পোশাকশ্রমিক এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ঢাকায় ফেরেননি।
ভিওডি বাংলা/জা







