‘মায়ের আগে আমার মৃত্যু হোক’—আবেগঘন ফারিণ

আলো ঝলমলে শোবিজ অঙ্গনে আজ পরিচিত মুখ অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। তবে তার এই পথচলার পেছনে রয়েছে মায়ের ত্যাগ, সংগ্রাম ও অদম্য লড়াইয়ের গল্প। মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জীবনের সেই অজানা অধ্যায় তুলে ধরতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
অনুষ্ঠানে ফারিণ বলেন, তার আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে বাবার চেয়ে মায়ের অবদানই বেশি। তিনি বলেন, ‘আমার মা বাবার সঙ্গে যুদ্ধ করে আমাকে নাচের স্কুলে ভর্তি করেছেন। মানুষ ইমোশনকে দুর্বলতা মনে করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি সাধারণত খুব ইমোশনাল। কিন্তু সেটা প্রকাশ করতে চাই না। আজ এখানে উপস্থিত সবার মধ্যে হয়তো আমিই সবচেয়ে ছোট। এই বয়সে এত অর্জনের কথা আমি কখনো কল্পনাও করিনি, কিন্তু আমার মা ঠিকই বিশ্বাস করেছিলেন।’

ফারিণ জানান, অভিনয়, গান শেখাসহ তার পুরো সাংস্কৃতিক জীবনের পেছনেই মায়ের নিরন্তর সহযোগিতা ছিল। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার মাঝেও কোনো কাজ এলে মা বাবার সঙ্গে লড়াই করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তার মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য ক্ষেত্রেও ভালো করবে।’
শৈশবের স্মৃতিচারণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘স্কুল ছুটির পর মা আমাকে নিয়ে নজরুল একাডেমিতে গানের ক্লাসে যেতেন। রিহার্সাল চললে রাত ১০টা পর্যন্ত আমি স্কুল ড্রেস পরে বসে থাকতাম। মা বাসা থেকে খাবার এনে দিতেন।’
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘প্রথম কাজের প্রস্তাব এলে মা-ই আমাকে সাহস দিয়েছিলেন। তিনিই প্রথম আমার ভেতরের সৃজনশীলতাকে চিনতে পেরেছিলেন।’
মাকে নিয়ে আবেগঘন বক্তব্যে ফারিণ বলেন, ‘তিনি সবসময় আমার পাশে বটগাছের মতো ছিলেন, এখনো আছেন। আমি চাই, মায়ের মৃত্যুর আগে যেন আমার মৃত্যু হয়। কারণ, এটা আমি সহ্য করতে পারব না।’
ভিওডি বাংলা/আ







