রাজশাহীতে গোপন অভিযান, জব্দ ৫৭২ লিটার অবৈধ জ্বালানি

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু চক্র যখন অস্থিরতা তৈরির চেষ্টায় লিপ্ত, ঠিক তখনই রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি তেলের মজুদের সন্ধান মিলেছে। জেলার গোদাগাড়ী উপজেলায় সাধারণ গৃহস্থালির আড়ালে মজুদ করা এসব তেল জব্দ করেছে র্যাব-৫ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) গোদাগাড়ী উপজেলার নাজিরপুর গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৫-এর একটি চৌকস দল এবং স্থানীয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত নাজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা রাসেল হোসেনের বাড়িতে হানা দেয়। অভিযানে তার ঘর থেকে ড্রামভর্তি অবস্থায় অবৈধভাবে মজুদ করা ৫৫০ লিটার ডিজেল ও ২২ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ এই জ্বালানি তেল স্থানীয় অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বিক্রির নির্দেশ দেন। বিক্রয়লব্ধ সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
“জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে যারা কৃত্রিমভাবে অভাব সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে এ ধরনের ঝটিকা অভিযান আরও বাড়ানো হবে।”
সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে এক ধরনের অস্বস্তি বিরাজ করছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রতিদিনের দীর্ঘ লাইনকে কাজে লাগিয়ে কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে তেল সংগ্রহ করে মজুদ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। নাজিরপুরের এই ঘটনা সেই আশঙ্কারই বাস্তব রূপ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাসাবাড়িতে এভাবে দাহ্য পদার্থ মজুদ করা কেবল আইনত দণ্ডনীয় নয়, বরং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অগ্নিদুর্ঘটনার বড় কারণ হতে পারে।
ভিওডি বাংলা/রমজান আলী/এমএস







