• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
নয়াপল্টনে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় টানা ছুটি শেষে অফিস খুলছে সোমবার জিয়াউর রহমানের রুপকল্পই চলচ্চিত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে : ড. মঈন খান নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতির দুঃসময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী শহীদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার দেশ বিনির্মাণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এআই দিয়ে অবৈধ বাংলাদেশি খুঁজছেন শুভেন্দু অধিকারী হামের থাবায় সপ্তাহে ঝরছে ৬০ শিশুর প্রাণ শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে উপহার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শান্তি আলোচনা যখন ভেস্তে যাচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি দেখছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ পি.এম.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প: ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন ঘোষণা করলেন যে, ইরান যুদ্ধের অবসানে কোনো চুক্তি হয়নি।  ঠিক তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিক্সড মার্শাল আর্টস (ইউএফসি) লড়াই উপভোগ করছিলেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মায়ামির সেই অ্যারেনায় কয়েক ঘণ্টা কাটান ট্রাম্প। তার চারপাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, পরিবারের কয়েকজন সদস্য, ইউএফসি কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতস্থ রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, সংগীতশিল্পী ভ্যানিলা আইস, সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ড্যান বনগিনো এবং পডকাস্টার জো রোগান।

যখন পাকিস্তানে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘দুঃসংবাদ হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ তখন মায়ামিতে ট্রাম্প বড় স্ক্রিনে লড়াইয়ের হাইলাইট দেখছিলেন।

এত মানুষের মাঝেও ট্রাম্পকে দেখা যায় অনেকটা বিচ্ছিন্ন। লোকজন তার কাছে এসে আপডেট দিয়ে আবার সরে যাচ্ছিলেন। আর তিনি স্থিরভাবে বসে লড়াই দেখছিলেন।

ট্রাম্প অ্যারেনায় প্রবেশের সময় ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যর্থতার খবর জানতেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি ফোন ব্যবহার করেননি; বরং রুবিও একপর্যায়ে নিজের ফোন দেখান তাকে। তবুও ট্রাম্পের মুখে কোনো হতাশা বা রাগের ছাপ ছিল না। একপর্যায়ে ক্যামেরার দিকে হালকা হাসি, আর বিজয়ীদের উদ্দেশে থাম্বস-আপ দিতে দেখা যায় তাকে।

ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তি হোক বা না হোক, তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি দাবি করেন, ‘আমরাই জিতেছি, যেভাবেই হোক।’

তবে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন বাস্তবতা। দেশে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির দামও বেড়েছে। আর এসবের জন্য তার নেওয়া যুদ্ধ সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন সমালোচকরা।

ইরানকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুমকির কারণে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি তার কিছু সমর্থকও ক্ষুব্ধ। কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা তার অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) দাবি করছেন এবং তার মানসিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

তবে এসব চাপ থেকে দূরে, মায়ামির সেই অ্যারেনায় ট্রাম্প যেন নিজের স্বস্তির জায়গায় ছিলেন। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, আগ্রাসী লড়াই—সব মিলিয়ে পরিবেশটা অনেকটা তার রাজনৈতিক সমাবেশের মতোই।

একটির পর একটি লড়াই চলেছে। রক্তমাখা মেঝে, বিজ্ঞাপনে ভরা খাঁচা-সব কিছুতেই চোখ রেখেছিলেন তিনি।

তার সঙ্গে ছিলেন মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও টিফানি ট্রাম্প, ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং তার সঙ্গী বেটিনা অ্যান্ডারসন। তবে ভ্যান্সের সঙ্গে পাকিস্তানে থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনার। 

ভিওডি বাংলা/আরআর/আরকেএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের
এক বছরে স্পেনের নাগরিকত্ব পেলেন ৩ লাখ বিদেশি
এক বছরে স্পেনের নাগরিকত্ব পেলেন ৩ লাখ বিদেশি
অন্দরের ফাটল প্রকাশ্যে, মমতাকে পিঠ দেখাচ্ছেন ছায়াসঙ্গীরা
অন্দরের ফাটল প্রকাশ্যে, মমতাকে পিঠ দেখাচ্ছেন ছায়াসঙ্গীরা