• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

উপমহাদেশের সুরসম্রাজ্ঞীর বিদায়ে রুনা লায়লার আবেগঘন শোক

বিনোদন ডেস্ক    ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫১ পি.এম.
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকাহত রুনা লায়লা:ছবি-ভিওডি বাংলা

উপমহাদেশীয় সংগীতের এক অনন্য নাম, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই।  চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমিয়েছেন অনন্তলোকে। গায়িকার মৃত্যুতে সংগীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা।

রোববার (১২ এপ্রিল) ৯২ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।  

মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন আশা ভোঁসলে। বুকে ব্যথা অনুভব করার পর শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতীয় সংগীত জগতে রাজত্ব করে গেছেন অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়ে।

আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। তিনি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, একই সময়ের দুই মহান শিল্পী-লতা মুঙ্গেশকর এবং আশা ভোঁসলে-পরপর চলে যাওয়া সংগীত জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

রুনা লায়লা আরও বলেন, এমন শিল্পীর পুনরায় জন্ম হবে না বলে তাঁর বিশ্বাস। তাঁর ভাষায়, “লতা দিদি ২০২২ সালে আমাদের ছেড়ে গেছেন, আর এখন আশা দিদিও চলে গেলেন। মনে হচ্ছে, আমার নিজের পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল।”

ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, দুই কিংবদন্তি শিল্পীই তাকে মাতৃস্নেহে ভালোবাসতেন। তাঁদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল আন্তরিক ও গভীর। বিশেষ করে একটি গানের রেকর্ডিংয়ের সময় সর্বশেষ দেখা হয়েছিল আশার সঙ্গে। এরপর ফোনে যোগাযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আর কথা বলা হয়নি।

রুনা লায়লা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, অনেকবার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আর যোগাযোগ করা হয়নি-আজ করব, কাল করব-এই দেরির কারণেই এখন গভীর অনুশোচনা অনুভব করছেন তিনি। যদি তখনই কথা বলা হতো, তাহলে হয়তো এই আফসোস থাকত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও যোগ করেন, “শেষ কথা না বলার কষ্টটা ভেতরে খুব ভারী হয়ে আছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”

উল্লেখ্য, আশা ভোঁসলে ছিলেন ভারতীয় সংগীতের এক জীবন্ত ইতিহাস। তাঁর কণ্ঠে হাজারো গান বিভিন্ন প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছে। শাস্ত্রীয় থেকে আধুনিক, চলচ্চিত্র থেকে আধুনিক সংগীত-সব ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মৃত্যুতে একটি সোনালি যুগের অবসান ঘটল বলে মনে করছেন সংগীতবোদ্ধারা।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
দেশে বঙ্গ নিয়ে এলো ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট এশিয়া’
সংগীত ইতিহাসে নতুন অধ্যায় দেশে বঙ্গ নিয়ে এলো ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট এশিয়া’
সাবিনা ইয়াসমিনের গানে জমজমাট সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
সাবিনা ইয়াসমিনের গানে জমজমাট সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
সৌদি আরব গেলে আরও ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব : মারিয়া মিম
সৌদি আরব গেলে আরও ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব : মারিয়া মিম