চলচ্চিত্র ছেড়ে যে কারণে গ্রাফিক নভেলে ঝুঁকলেন কুসাক
হলিউড অভিনেতা জন কুসাক বলেছেন, গল্প বলার স্বাধীনতা ধরে রাখতেই তিনি চলচ্চিত্রের পরিবর্তে গ্রাফিক নভেলের দিকে ঝুঁকেছেন। তার ভাষায়, বড় বাজেটের সিনেমায় গল্প বলতে গেলে নানা পক্ষের মতামত ও হস্তক্ষেপ মেনে চলতে হয়, যা তিনি আর করতে চাননি।
সম্প্রতি সান ডিয়েগো কমিক-কন ২০২৬-এ নিজের প্রথম গ্রাফিক নভেল ‘মোমো’ (Momo) নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কুসাক বলেন, “আমি একটা গল্প বলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সেই গল্প বলার জন্য দরকষাকষি করতে চাইনি।”
তিনি বলেন, একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হলে বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিকভাবেই গল্পে নিজেদের মতামত দিতে চান।
কুসাকের ভাষায়, “যখন কেউ একটি সিনেমার জন্য এত বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করে, তখন তারা গল্প নিয়ে মতামত দেবে, পরিবর্তন চাইবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমি সেটা চাইনি।”
অভিনেতা জানান, ‘মোমো’ সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি নিজে গল্প লিখেছেন এবং আর্জেন্টাইন শিল্পী ইগনাসিও নোয়ে চিত্রাঙ্কন করেছেন। পুরো কাজটি শুধুমাত্র দুজনের সৃজনশীল সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমি গল্প লিখেছি, ইগনাসিও ছবিগুলো এঁকেছেন। আমার লেখা বা তার আঁকা—কোনোটাই কেউ সম্পাদনা করেনি। এটা শুধু আমাদের দুজনের তৈরি একটি কাজ।”
গ্রাফিক নভেলকে চলচ্চিত্রের সবচেয়ে কাছের শিল্পমাধ্যম বলেও মন্তব্য করেন কুসাক।
তার মতে, “গ্রাফিক নভেল খুবই সিনেমাটিক। এখানে দৃশ্যগুলো আপনি নিজেই তৈরি করেন, যেন ক্যামেরার শট বেছে নিচ্ছেন।”
‘মোমো’ একটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনি, রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং রোড-ট্রিপের সমন্বয়ে নির্মিত গ্রাফিক নভেল। ১৯৭২ সালের প্রেক্ষাপটে দুই পলাতক ব্যক্তিকে ঘিরে এগিয়েছে এর কাহিনি। বইটি চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হওয়ার কথা।
কুসাক আরও জানান, ভবিষ্যতে ‘মোমো’ অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হলে তিনি সেখানে অভিনয় করতেও আগ্রহী।
সূত্র: এএনআই, পিপল, এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি
ভিওডি বাংলা/আরআর/আ









মন্তব্য