• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

জ্বালানি তেলে তালবাহানা, হঠাৎ এতো তেল কিনছে কারা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

সরকার দাম না বাড়িয়ে দেড়শ’ কোটি টাকা প্রতিদিন ভর্তুকি দিয়ে দেশে স্বস্তি বজায় রাখতে চাইলেও জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ আরও গভীর হচ্ছে।  সারা দেশ থেকে পাওয়া গেছে ভোগান্তি আর অস্বস্তির খবর।   

জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে দেশের প্রায় সবকটি জেলার ফিলিং স্টেশন দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকছে। আবার কোনও কোনও ফিলিং স্টেশনে দুই-তিন দিন পর পর রেশনিং পদ্ধতিতে তেল দেওয়া হয়। ফলে ওই দিনগুলোতে স্টেশন বন্ধ রাখেন মালিকরা। যখন তেল পাওয়া যায় তখন চালু করা হয়। 

এক থেকে দেড় মাস আগে স্বাভাবিক থাকা পেট্রোল পাম্পগুলো বর্তমানে কখনো খোলা, কখনো বন্ধ। তাও এতটা অনিশ্চিত যে, কখন পাম্প খুলবে আর কখন বন্ধ হবে তা পাম্পমালিক বা কর্মীরাও নির্ধারণ করতে পারছেন না।  

তারা বলছেন, কখন তেল আসবে তা এখন জানা থাকে না। ডিপো থেকে তেল যখন আসে তখন পাম্প খুলি, তেল শেষ হয়ে গেলে পাম্প বন্ধ করে দেই। ঝুলিয়ে দেই ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড।  

এদিকে ‘তেল নেই’ লেখা পাম্পেও রাতভর দিনভর থাকে দীর্ঘ লাইন। এ বিষয়ে বন্ধ ফিলিং স্টেশনগুলোতে অপেক্ষমান যাত্রীরা জানান,পোম্প খোলার এক দুই ঘন্টার মধ্যেই আবার বন্ধ হয়ে যায়। কোনো নির্ধারিত সময় নেই।  হুট করে খুলে হুট করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাই আগে থেকেই লাইন ধরে থাকি। খুললেই যেনো তেল পাই।  কিন্তু লাইনে অপেক্ষমানরা জানেন-ই না কখন খুলবে পাম্প, শুধু জানেন পাম্প খুলবে। 

অন্যদিকে টিভি, পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টালে চোখ রাখলেই দেখা যায় মন্ত্রী, উচ্চতর আমলাসহ সরকারপক্ষের কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। এপ্রিল মাস পর্যন্ত চলতে যে তেল দেশের প্রয়োজন তা মজুদ করা আছে।  মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলেও বিকল্প উৎস থেকে বিকল্প পথে জ্বালানি আনার ব্যবস্থা হয়েছে। 

একই সঙ্গে, রাতভর পেট্রোল পাম্পে লাইন ধরেও তেল মেলেনি, অবৈধভাবে মজুদ জ্বালানি তেল উদ্ধার এবং চোরাচালানি গ্রেপ্তার, তেল মজুদ করলে রক্ষা নেই এমন বক্তব্য নানান পক্ষ থেকে নানাভাবে নিয়মিত আসছে। কিন্তু কোনো সমাধান নেই।  

আবার প্রেটোল পাম্প মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না। ডিপো জানান, আগে যেভাবে যে পরিমাণ তেল তারা নিতো সে পরিমাণ জ্বালানি তাদের দেওয়া হচ্ছে। এক মাস আগে পাম্পগুলো যে পরিমাণ তেল ডিপোকে সরবরাহ করার আদেশ দিতো, এখন তারা তিন চার গুন বেশি পরিমাণ চাহিদা দিচ্ছে। 

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৪শ’ টাকা
পহেলা বৈশাখ: সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৪শ’ টাকা
চলতি অর্থবছরে ট্রেজারি বিল-বন্ডে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
চলতি অর্থবছরে ট্রেজারি বিল-বন্ডে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন
জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন