ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

আধিপত্য বিস্তারের জেরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগকে (২৫) গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
নিহত ইমরান ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ও জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ছিলেন। এছাড়াও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই মেহেদী হাসানের সমর্থক ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার ওপরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র একটি দল এসে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও তর্কে জড়িয়ে পড়ে।
পরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ইমরানকে গুলি করে ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলে ইমরানের মৃত্যু হয়। এসময় সংঘবদ্ধ গ্রুপটি ঘটনার সময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
নিহত যুবকের মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি গুলি করে ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। তবে-কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ভিওডি বাংলা/এসআর







