{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ভিওডি বাংলার সংবাদ প্রকাশের পর র‍্যাবের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ২ পুলিশে বড় রদবদল, ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন ভাঙারি ব্যবসায়ী হত্যা: মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ২ রাজধানীতে চলন্ত ট্রেন থেকে পা পিছলে যুবকের মৃত্যুু প্রশাসকদের আন্তরিকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে গতি এসেছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে যুদ্ধে প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত: পেন্টাগন জেল খাটাকালীনও মডেলিংয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণীদের ধর্ষণ মানবিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি, আনসার সদস্যকে মহাপরিচালকের সম্মাননা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী মোদির বাড়ির সামনে থেকে রাহুল গান্ধী আটক

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে বিশ্বজুড়ে বাড়তে পারে খাদ্যমূল্য: আঙ্কটাড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৪ এ.এম.
হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়- ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়- ছবি: সংগৃহীত

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাড। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে স্বল্প আয়ের মানুষের ওপর।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে প্রকাশিত আঙ্কটাডের এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয় বা বন্ধ হয়ে যায়, তবে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে জ্বালানি, সার এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে গিয়ে খাদ্যের দামও বাড়তে পারে। 

সংস্থাটির মতে, হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছাতে এই পথটির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করা হয়। আঙ্কটাডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৮ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এ ছাড়া বিশ্বের মোট তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহের প্রায় ২৯ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ১৯ শতাংশও এই জলপথ ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে পৌঁছে থাকে। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে, যার প্রভাব পড়বে খাদ্য উৎপাদন ও পরিবহনে।

খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আঙ্কটাড জানিয়েছে, জাহাজযোগে বিশ্বে যে পরিমাণ সার সরবরাহ করা হয়, তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।  

 প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সম্ভাব্য এই সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে এশিয়া অঞ্চলে। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত পণ্যের প্রায় ৮৪ শতাংশই এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পৌঁছে থাকে। ফলে এই অঞ্চলে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে বেশি।

সূত্র : আল-জাজিরা

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহিত
ভারতের কাবেরী থেকে চীনের জে-২০: চার দশকের দৌড়ে কে এগিয়ে?
ছবি: সংগৃহিত
স্বামীর কর্মস্থলে স্ত্রীর অভিযোগ করা নিয়ে যা বলছে ভারতের আদালত
ছবি: সংগৃহিত
ক্যামেরায় ধরা পড়েনি দিল্লির যে গল্প