নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে শুনানি আজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে দায়ের করা একাধিক মামলার শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হবে। সদ্য সমাপ্ত এ নির্বাচনে ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পাঁচ প্রার্থী উচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হাইকোর্ট বিভাগের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে এসব আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-২ ও ৩ এবং লালমনিরহাট-১ ও ২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা এবং ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী পৃথকভাবে মামলা দায়ের করেছেন। তারা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ৪৯ ধারার আওতায় নির্বাচনে অনিয়ম, ভোট গণনায় অসঙ্গতি ও ফলাফল পরিবর্তনের অভিযোগ তুলে প্রতিকার চেয়েছেন।
নির্বাচনি অনিয়মসংক্রান্ত এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে বিশেষভাবে ‘নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হয়েছে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একক বেঞ্চে আজ মামলাগুলোর শুনানি গ্রহণ করা হবে। শুনানিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের অভিযোগ ও যুক্তি উপস্থাপন করবেন বলে জানা গেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও পরে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম-পরিচয়সহ গেজেট প্রকাশ করেছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তবে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে দুটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
অভিযোগকারী প্রার্থীদের দাবি, ভোট গণনার সময় ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে তাদের প্রাপ্ত ভোট কম দেখানো হয়েছে এবং ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের শুনানির পর আদালত কী সিদ্ধান্ত দেন এবং নির্বাচনি ফলাফলে কোনো পরিবর্তন আসে কি না-তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল ও আলোচনা তুঙ্গে রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা







