‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ফল বদলানো হয়েছে’: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ, বিশেষ করে যুব সমাজ, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে।”
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাফরুল উত্তর ও দক্ষিণ থানা শাখার উদ্যোগে মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আগামী নির্বাচনে প্রতিটি ঘাটে শক্ত পাহারা দেব। জীবনের বিনিময়ে হলেও মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষায় দাঁড়িয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সংসদে গিয়ে জনগণের পক্ষে কথা বলব। আপনাদের অধিকার আদায় করে ছাড়ব। ঢাকা-১৫ আসনকে একটি মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি দাবি করেন, “বাংলাদেশের মানুষ ৫৪ বছরে অনেক আদর্শ দেখেছে। কিন্তু ইসলামী আদর্শের শাসন দেখার সুযোগ পায়নি।”
দেশব্যাপী চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারি দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “অবিলম্বে চাঁদাবাজি বন্ধ করুন। তা না হলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশব্যাপী শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”
এ সময় তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত ট্যাক্সমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করা এবং প্রবাসীদের মৃতদেহ সম্মানের সঙ্গে দেশে আনার প্রতিশ্রুতি অনুসরণের জন্য সরকারি দলকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, যিনি দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির। যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মু. আবু নাহিদ ও মো. আশিকুর রহমান।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহমান মুসা, লস্কর মোহাম্মদ তসলিম, মো. শহীদুল্লাহ, মু. আনোয়ারুল করিম, মো. রেজাউল করিম, মো. জসিমুদ্দিন, আলাউদ্দিন মোল্লা, নাজমুল হাসান খান, মুফতি মাসুদুর রহমান, আবুল বাশার, সালাউদ্দিন শাহিন, পরশ আব্দুল্লাহ, মোস্তফা গাউসুল আজম, শহিদুল্লাহ বেপারী, মেসবাহ উদ্দিন মাহিনসহ ছাত্রশিবির, ওলামা ও যুব প্রতিনিধিরা।
ভিওডি বাংরা/আ







