ঝালকাঠিতে অবরুদ্ধ জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করলেন এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় গভীর রাতে এক জামায়াত নেতাকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরে ১১ দলীয় জোটের শরিক এনসিপির কেন্দ্রীয় নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন বলে দাবি করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডা. মাহমুদা আলম মিতুর ভাষ্য অনুযায়ী, অবরুদ্ধ নেতার মেয়ে ফোন করে বিষয়টি তাকে জানান। তিনি বলেন, জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থ সম্পাদক আইয়ুব আলী (৫৮)কে একটি স্থানে আটকে রেখে মারধর করা হচ্ছিল। পরিবারের সদস্যরা সরাসরি যোগাযোগ করতে না পেরে পাশের বাড়ির মাধ্যমে খবর পান। পরে মেয়ের কান্নাজড়িত ফোন পেয়ে তিনি সেখানে যান।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও দাবি করেন ডা. মিতু। তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ধাক্কাধাক্কির শিকার হন। একপর্যায়ে তার উপস্থিতি ও প্রতিবাদের মুখে অবরুদ্ধ ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
ডা. মিতুর অভিযোগ, অবরুদ্ধ অবস্থায় আইয়ুব আলীর মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয় এবং তার পকেট থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। মারধরের সময় তাকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগ স্বীকার করতে চাপ দেওয়া হয় এবং ভিডিও ধারণের চেষ্টা চালানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনার জন্য তিনি বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, কাঠালিয়ায় কয়েকজন জামায়াত নেতাকে ধরে ফোন ও পকেট তল্লাশি এবং মারধর করা হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে বিএনপি বা ছাত্রদলের সংশ্লিষ্ট নেতাদের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কাঠালিয়া থানার একটি সূত্র জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভিওডি বাংলা/এমএস







