বিএনপির ইশতেহার ঘোষণায় ৩৮ দেশের কূটনীতিকদের উপস্থিতি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে জমকালো আয়োজনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে দলের ইশতেহার ঘোষণা করেন। এই অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বের ৩৮টি দেশের প্রভাবশালী বিদেশি কূটনীতিকদের অংশগ্রহণ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত ইশতেহারে বিএনপির ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কী ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে-সে বিষয়ে বিদেশি প্রতিনিধিদের আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত উল্লেখযোগ্য কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী রাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা এই আয়োজনে অংশ নেন। তারা বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গীকার, অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনা এবং শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতিগুলো গভীর মনোযোগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেন।
অনুষ্ঠানে কেবল বিদেশি কূটনীতিকরাই নন, দেশের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট নাগরিক, বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রবীণ সাংবাদিক ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমানসহ প্রায় ৬০ জন সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এ ছাড়া বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং কবি-কথাসাহিত্যিকরাও বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে দলের শক্ত অবস্থান তুলে ধরতে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের সিনিয়র নেতারা অংশ নেন।
ঘোষিত ইশতেহারে দেশের শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
ভিওডি বাংলা/জা







