কীভাবে চলবে দুদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিয়োগ প্রক্রিয়া ঢেলে সাজাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সংস্কার কমিশন। নিরপেক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির লাগাম টানাসহ আইন সংস্কারের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা থাকছে কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবে। কমিশন প্রধান বলছেন, সব অংশীজন ও বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতেই প্রস্তুত করা হয়েছে আগামী দিনের দুদক পরিচালনার খসড়া রূপরেখা।
দুদক সংস্কার কমিশন ৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছিলো। সন্তোষজনক কাজের জন্য তিন মাস যথেষ্ট নয় মন্তব্য করে কমিশন প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান বললেন, চেষ্টা ছিলো সময়ের মধ্যে যতখানি সম্ভব কাজ করা। পুরো কমিশন গঠনে চ্যালেঞ্জ ছিলো। সরকারি হস্তক্ষেপ কম থাকায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
ঢাকা ও ঢাকার বাইরেও কমিশন দুটি অঞ্চলে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেছে। গবেষণা কাজ শেষ; এখন খসড়া প্রতিবেদন প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানান ড. ইফতেখারুজ্জামান।
তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে দুইটি অঞ্চলে চট্টগ্রাম এবং রংপুরে আমরা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেছি, কাজ করেছি। কাজ এখন মোটামুটি শেষ পর্যায়ে।
কমিশন প্রধান জানান, কাজ করতে গিয়ে দেখেন দুর্নীতির চিত্রটা ভয়াবহ। তার প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি সুপারিশ থাকবে কমিশনের।দুদক যেন আর কখনও অকার্যকর না হয় সে বিষয়ে কমিশন সুপারিশ করবে। আমলাদের থেকে প্রেষণে নিয়োগ না করার সুপারিশ থাকবে। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়ের কৌশল থাকবে সুপারিশে।
দুদকের কাজে প্রভাব সৃষ্টি করে এমন আইন নিয়ে সুপারিশের পাশাপাশি দুর্নীতি রোধে আন্তর্জাতিক চর্চা এবং ভালো দৃষ্টান্তের আলোকেও কিছু সুপারিশ থাকবে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে।







