• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
শিশুর মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র আদিতমারী, পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে আহত ৩০ ১০ জেলায় সম্প্রসারিত হচ্ছে রেল সেবা: রেলমন্ত্রী পদ্মা সেতুর নিচ থেকে মাটি সরানো বন্ধ, গাছ লাগানো হবে: সেতুমন্ত্রী পরীমণির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করলেন ডিএসসিসি প্রশাসক পল্লবীতে গোলাগুলি, সন্ত্রাসী ‘টান আকাশ’ গ্রেপ্তার আ’লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি: ফখরুল একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৭ হাজার কোটি বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক:  জাহিদ হোসেন শপিং মলে ডেকে নেওয়ার পর দুবাইয়ে আটক বেনজীর

মোহাম্মদপুর

মা–মেয়ের নৃশংস হত্যা: পুলিশের সন্দেহ প্রশিক্ষিত কিলার

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০৩ পি.এম.
ঘাতক গৃহকর্মী আয়েশা ও নৃশংস হত্যার শিকার মা-মেয়ে। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বাসায় মা লায়লা আফরোজ ও মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় হতবাক পুলিশ। লাশের সুরতহাল, আঘাতের ধরন ও ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা—ঘাতক হয়তো কোনো প্রশিক্ষিত কিলার, নয়তো চরম ক্ষোভে উন্মত্ত কোনো সাইকোপ্যাথ। সোমবার ঘটনার পর থেকে এখনো নিশ্চিত নয় হত্যার প্রকৃত মোটিভ। তবে পুলিশের ভাষ্য—“সাধারণ মানুষের পক্ষে এমন নিষ্ঠুরতা দেখানো প্রায় অসম্ভব।”

সুরতহাল প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ বিবরণ। নিহত লায়লা আফরোজের শরীরে অন্তত ৩০টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়—বাম গালে ৩টি, থুতনিতে ৪টি, গলার নিচে ৫টি, বাম হাতে ৩টি, দুই হাতের কব্জিতে মোট ৩টি, বুকের বাম পাশে ৯টি, পেটের বাম পাশে ২টি এবং তলপেটে ১টি গভীর ক্ষত।

মেয়ে নাফিসার গলা ও বুকের দুই পাশসহ শরীরে রয়েছে ৬টি গভীর ক্ষত। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই মা–মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন। সোমবার রাতেই ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি ছুরি। একটি সাধারণ সবজি কাটার ছুরি, অন্যটি বিশেষ ধরনের ‘সুইচ গিয়ার’। এটি আঙুলের মাঝে আটকানো অবস্থায় ব্যবহার করা হয়, যাতে আঘাতের সময় অস্ত্র হাত থেকে ফসকে না যায়। পুলিশের মতে, এই অস্ত্র সাধারণ বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত হয় না; ঘাতক সম্ভবত পরিকল্পিতভাবেই বাইরে থেকে এটি এনেছিল।

আরও চমকে দেওয়ার মতো তথ্য পেয়েছে পুলিশ—হত্যাকাণ্ডের পর ঘাতক ঠান্ডা মাথায় বাথরুমে গিয়ে গোসল করে, রক্তমাখা পোশাক পরিবর্তন করে নিহত মেয়ের স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। তিনি এখন পলাতক।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান জানান, হত্যার ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘাতক প্রশিক্ষিত হতে পারে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যার আগে–পরে সন্দেহভাজনের গতিবিধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার ভাষায়, “বিশেষ ধরনের অস্ত্র, স্কুল ড্রেস পরে পালানো—সব মিলিয়ে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে।”

পুলিশের আশা, পলাতক গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করা গেলে মা–মেয়ের এই নৃশংস জোড়া হত্যাকাণ্ডের পেছনের আসল রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে।

ভিওডি বাংলা/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বুনিয়া সোহেল ও টুনটুন কালামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মনু গ্রেপ্তার
বুনিয়া সোহেল ও টুনটুন কালামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মনু গ্রেপ্তার
ওয়ারীতে ৫৭ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই: আরও ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার
ওয়ারীতে ৫৭ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই: আরও ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর করে থানায় নিলো পুলিশ
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর করে থানায় নিলো পুলিশ