• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

মোংলা বন্দর সফর করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা

   ৬ নভেম্বর ২০২৪, ০৮:০০ পি.এম.

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বারের মত মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেন।

মোংলা বন্দরের কনফারেন্স রুমে বন্দরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে মাননীয় উপদেষ্টাকে প্রধান অতিথি করে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান। আলোচনা সভায় বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, জাহাজ, কার্গো, কন্টেইনার, গাড়ি আমদানির বাৎষরিক হিসাব ও বন্দরের সার্বিক কার্যক্রমের উপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেয়া হয়। উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন কর্তৃপক্ষের সদস্যবৃন্দ, পরিচালক (প্রশাসন), বিভাগীয় প্রধানগন, মাননীয় উপদেষ্টার সফরসঙ্গী এবং বন্দরের অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগন। এরপরে মোংলা বন্দর পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পশুর চ্যানেলের বিভিন্ন স্পট পরিদর্শন করেন, এছাড়াও VTMIS (মোংলা), ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এরিয়া ও স্থায়ী বন্দর জেটি এলাকা পরিদর্শন করে দেখেন।

এসময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “মোংলা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করা হবে, মোংলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় এ সমুদ্র বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিতেও বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরটির সড়ক পথে দুরত্ব মাত্র ২১০ কিলোমিটার। এছাড়াও বন্দরটির সাথে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য প্রান্তের রেল ও নৌযোগাযোগ রয়েছে। সুতরাং এ বন্দরটিকে পিছিয়ে রাখার কোন সুযোগ নেই। মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।”


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রের প্রতি সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা রয়েছে: সেতুমন্ত্রী
রাষ্ট্রের প্রতি সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা রয়েছে: সেতুমন্ত্রী
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মাদক ঠেকাতে ঢাকা-ইসলামাবাদ চুক্তি
মাদক ঠেকাতে ঢাকা-ইসলামাবাদ চুক্তি