রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে দায়িত্ব কার, কী বলছে সংবিধান
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে সামনে এসেছে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বিষয়টি। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে রাষ্ট্র পরিচালনায় সাময়িক দায়িত্ব কে পালন করবেন এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া কী হবে, তা নির্ধারণ করা আছে বাংলাদেশের সংবিধানে।
সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের ৩ দফা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ কার্যকর হলে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের ওপর সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব বর্তাবে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতির মুখপাত্রের বরাতে বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দিলেই তা কার্যকর হবে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড সফরে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার (২৪ জুলাই) দেশে ফিরছেন। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক যান স্পিকার। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবারই ফিরছেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে সংবিধানের ৫০ ও ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী স্পিকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস/আ









মন্তব্য