• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালিতে নৌ জোট গঠনে লন্ডনে শীর্ষ বৈঠকের উদ্যোগ সরকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা মানুষের ইচ্ছা আমলে নেওয়া খারাপ কিছু নয়: দুদু সেপ্টেম্বর অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: আইনমন্ত্রী ইরানের নতুন নেতা পরমাণু বোমা বানাতে বেশি আগ্রহী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা জানাল ইসি ঢাকায় অনুপম রায়ের কনসার্টের নতুন তারিখ ঘোষণা মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে আইইডি বোমা উদ্ধার তরুণদের কাছে পৌঁছাতে মন্ত্রীদের বিশেষ নির্দেশনা মোদির ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনকে ডিএসসিসি প্রশাসকের অভিনন্দন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ইসলামী ঐক্যজোটের অভিনন্দন

জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ প্রস্তাব গৃহীত

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২৮ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি শীর্ষক একটি প্রস্তাব সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক পরিসরে সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রস্তাব উপস্থাপনকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, অব্যাহত সংলাপ, বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান এবং জাতিসংঘ সনদের মূলনীতির প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি অপরিহার্য।

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় বিভাজন ও সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার পরিবেশ তৈরি করা সময়ের দাবি। এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় প্রস্তাবটির প্রতি ব্যাপক সমর্থন ও গঠনমূলক সহযোগিতার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। একই সঙ্গে শান্তি, সহনশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি স্থিতিশীল বিশ্ব গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশের কূটনৈতিক উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর থেকে এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সংঘাত প্রতিরোধ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, অহিংসা, সহনশীলতা এবং সংহতির মূল্যবোধকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এ প্রস্তাবের গুরুত্ব সময়ের সঙ্গে আরও বেড়েছে। বর্তমান বিশ্বে ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও বিভাজনের প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের উদ্যোগ জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর জন্য কার্যকর দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করতে পারে।

সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থনে প্রস্তাবটি গৃহীত হওয়াকে আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তি, সংলাপ ও সহযোগিতার পক্ষে বাংলাদেশের ধারাবাহিক কূটনৈতিক ভূমিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: ভিওডি বাংলা
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পর্দা উঠল বিইএআর সামিট-২০২৬
ছবি: ভিওডি বাংলা গ্রাফিক্স
নিয়োগ থেকে পদত্যাগ সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে কেন এত আলোচনা
ছবি: সংগৃহীত
মানবাধিকার সুরক্ষাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: মাহদী আমিন