প্রথমার্ধ শেষে ১-১ সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে স্পেন ও বেলজিয়াম। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে ১-১ গোলের সমতায়।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় স্পেন। তবে শক্তিশালী বেলজিয়াম রক্ষণ ভাঙতে তাদের অপেক্ষা করতে হয় ৩০তম মিনিট পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।
পেদ্রির পরিবর্তে শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া ফাবিয়ান রুইজ কোচের আস্থার প্রতিদান দেন দুর্দান্তভাবে। ৩০তম মিনিটে দারুণ এক দলীয় আক্রমণ থেকে গোল করেন তিনি। বক্সের বাইরে থেকে দানি ওলমোর জোরালো শট থিবো কোর্তোয়া ঠেকালেও বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। ফিরতি বলে রুইজের নেওয়া শট বেলজিয়ামের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়।
গোল হজমের পর আক্রমণের গতি বাড়ায় বেলজিয়াম। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে টিমোথি কাস্তানিয়ের নিখুঁত ক্রস থেকে চার্লস ডি কেটেলারে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠিয়ে সমতা ফেরান।
পাউ কুবারসিকে ফাঁকি দিয়ে নেওয়া তার শক্তিশালী হেডে কোনো সুযোগই পাননি স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। চলতি বিশ্বকাপে এটিই স্পেনের জালে প্রথম গোল। এর আগে টানা ৬০০ মিনিটেরও বেশি সময় কোনো গোল হজম করেনি স্পেন।
সমতায় ফেরার পর বেলজিয়াম আত্মবিশ্বাস ফিরে পেলেও প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর কোনো দল গোল করতে পারেনি। ফলে ১-১ সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
এর আগে ৩৬তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে ফ্রি-কিক পেয়েছিল স্পেন। তবে লামিন ইয়ামালের জোরালো শট সহজেই নিয়ন্ত্রণে নেন বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত গোলশূন্য থাকলেও পুরো প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল স্পেন। বিরতির আগে পর্যন্ত ৬৪ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে তারা, যেখানে বেলজিয়ামের দখল ছিল ৩৬ শতাংশ। প্রথমার্ধে স্পেন তিনটি শট নেয়, আর বেলজিয়াম নেয় একটি। সেই একমাত্র লক্ষ্যভেদী আক্রমণ থেকেই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
ভিওডি বাংলা/আ








মন্তব্য