• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুলাই শহীদদের স্মরণসভা ৪ জুলাই, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে চায়: মাহ্‌দী আমিন দেশে হামের উপসর্গে একদিনে ৫ শিশুর মৃত্যু জীবনের সব পর্যায়ে কবি নজরুলের প্রভাব অপরিসীম: প্রধানমন্ত্রী ৩৫৭ টাকা কমিয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মা রেল সেতুর মাটি অপসারণ চলছে: রবিউল আলম ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বাধা কাটল

রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে গেলে মস্তিষ্কে ঝুঁকি বাড়ে

লাইফস্টাইল    ২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে হঠাৎ কমে গেলে তা শরীরের জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ অবস্থাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। অনেকেই এটিকে সাময়িক দুর্বলতা বা মাথা ঘোরার সমস্যা মনে করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এটি মস্তিষ্কের কার্যক্রমে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, মানবদেহের মধ্যে মস্তিষ্কই সবচেয়ে বেশি গ্লুকোজনির্ভর অঙ্গ। মস্তিষ্ক নিজে থেকে গ্লুকোজ তৈরি করতে পারে না এবং অতিরিক্ত গ্লুকোজ জমিয়েও রাখতে পারে না। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গেলে প্রথম ধাক্কা লাগে মস্তিষ্কের ওপর। এ কারণে আচরণগত পরিবর্তন, বিভ্রান্তি কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।

হাইপোগ্লাইসেমিয়ার কিছু সাধারণ লক্ষণ রয়েছে, যা শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব। সাধারণত শরীর কাঁপা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, হঠাৎ দুর্বল লাগা, বুক ধড়ফড় করা বা তীব্র ক্ষুধা অনুভব করার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

এ ছাড়া অনেকের মাথা ঘোরা, ঝাপসা দেখা, মনোযোগে ঘাটতি কিংবা অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। কারও কারও আচরণ খিটখিটে হয়ে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে চোখের মণির অস্বাভাবিক নড়াচড়া বা অস্বাভাবিক কান্নাও লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব উপসর্গকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। কারণ দীর্ঘ সময় রক্তে শর্করা কম থাকলে খিঁচুনি, জ্ঞান হারানো এমনকি স্থায়ী স্নায়বিক ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।

কেন হঠাৎ কমে যায় ব্লাড সুগার

হাইপোগ্লাইসেমিয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো খাবার, ওষুধ ও শারীরিক পরিশ্রমের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন বা ওষুধের মাত্রা বেশি হয়ে গেলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ইনসুলিন নেওয়ার পর সময়মতো খাবার না খাওয়া, দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা অথবা অতিরিক্ত ব্যায়াম করলেও রক্তে শর্করা দ্রুত কমে যেতে পারে। চিকিৎসকেরা আরও জানান, খালি পেটে মদ্যপান করলেও ব্লাড সুগার হঠাৎ নেমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়াও লিভার ও কিডনি রোগী, বয়স্ক মানুষ এবং নবজাতকদের মধ্যে এ সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন

রোগী সচেতন থাকলে দ্রুত তাকে সহজে শোষিত হয় এমন গ্লুকোজজাতীয় খাবার দিতে হবে। যেমন- গ্লুকোজ মিশ্রিত পানি, মিষ্টি ফলের রস বা চিনিযুক্ত খাবার। অনেক চিকিৎসক তিন চা-চামচ গ্লুকোজ পানিতে মিশিয়ে খাওয়ানোর পরামর্শ দেন।

এরপর ১৫ মিনিট পর আবার রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা ভালো। প্রয়োজন হলে পুনরায় গ্লুকোজ দেওয়া যেতে পারে।

তবে রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে বা গিলতে না পারলে মুখে কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করা বিপজ্জনক হতে পারে। এ অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকেরা বলছেন, সময়মতো চিকিৎসা পেলে জটিলতা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

সচেতনতাই হতে পারে সুরক্ষা

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া, ইনসুলিন বা ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা এবং অতিরিক্ত সময় না খেয়ে থাকা-এসব অভ্যাস হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
বেকিং ছাড়াই ঘরেই তৈরি করুন ইতালিয়ান ডেজার্ট ‘তিরামিসু’
মানবতার আহ্বান- “রক্ত দিন, জীবন বাঁচান”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। ছবি: সংগৃহীত
আজ বিশ্ব রক্তদাতা দিবস
মাত্র দুই মিনিটের ধ্যানেই মস্তিষ্কে ইতিবাচক সূচনা হতে পারে-এমন তথ্য উঠে এসেছে গবেষণায়। ছবি: সংগৃহীত
মাত্র দুই মিনিটের অনুশীলনে বদলাতে পারে মস্তিষ্ক!