• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo

ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫ হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলা


প্রকাশ:  ২৯ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:২১ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫ হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলা

ভিওডিবাংলা ডেস্ক

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এ. এম বাহাউদ্দীন এবং বিশেষ প্রতিবেদক সাইদ আহমেদের বিরুদ্ধে ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেছে নোমান গ্রুপ।

গনঅভ্যুত্থ্যানে ভাটা পড়েছে: আব্দুস সালাম

গনঅভ্যুত্থ্যানে ভাটা পড়েছে: আব্দুস সালাম

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এ. এম বাহাউদ্দীন এবং বিশেষ প্রতিবেদক সাইদ আহমেদের বিরুদ্ধে ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেছে নোমান গ্রুপ।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার ৫ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে নোমান গ্রুপের ব্যবস্থাপক প্রশাসন মুরাদুল ইসলাম এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এ এম বাহাউদ্দীন এবং বিশেষ প্রতিবেদক সাইদ আহমেদকে বিবাদী করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী তৌফিকুল ইসলাম খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম এবং পরিচালকদের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর ও ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বন্ডের কাঁচামাল খোলাবাজারে বিক্রি করে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি, অবৈধভাবে ব্যাংক ঋন নিয়ে আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচলকরা দেশ থেকে পলায়ন করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন এ অর্থের যোগান দিয়েছেন। এছাড়াও আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে। যা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি ও আইনি নোটিশ দেওয়ার পরও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি দৈনিক পত্রিকাটি। ফলে সুনাম রক্ষার্থে আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে নোমান গ্রুপ, এমনটা জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী।

(২৯ অক্টোবর) ঢাকার ৫ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে নোমান গ্রুপের ব্যবস্থাপক প্রশাসন মুরাদুল ইসলাম এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এ এম বাহাউদ্দীন এবং বিশেষ প্রতিবেদক সাইদ আহমেদকে বিবাদী করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী তৌফিকুল ইসলাম খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম এবং পরিচালকদের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর ও ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বন্ডের কাঁচামাল খোলাবাজারে বিক্রি করে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি, অবৈধভাবে ব্যাংক ঋন নিয়ে আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচলকরা দেশ থেকে পলায়ন করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন এ অর্থের যোগান দিয়েছেন। এছাড়াও আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে। যা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি ও আইনি নোটিশ দেওয়ার পরও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি দৈনিক পত্রিকাটি। ফলে সুনাম রক্ষার্থে আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে নোমান গ্রুপ, এমনটা জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী।

ভিওডিবাংলা/নিউজ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ
ছবি: সংগৃহীত
রেফারেন্স না আসায় গাজী নজরুল ইস্যুতে নীরব ইসি
ছবি: সংগৃহীত
পুলিশের ওপর হামলার মামলায় আইভীর জামিন বহাল