সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সদস্যপদ নিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স পেলেই আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্পিকারের কার্যালয় থেকে কমিশনের কাছে কোনো লিখিত রেফারেন্স আসেনি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিইসি বলেন, গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্যপদ-সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে এখনো স্পিকারের কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স পৌঁছায়নি। এমন রেফারেন্স পাওয়া গেলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী এ ধরনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না। সংসদ সদস্যের পদসংক্রান্ত বিরোধ প্রথমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করতে হয়। এরপর স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য শুনে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কমিশন।
সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে দলটির পক্ষ থেকে তার সংসদ সদস্যপদ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জাতীয় সংসদের স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে লিখিত আবেদন পাঠানো হয়।
সিইসি আরও জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক হলেও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের বিষয়টি সেখানে আলোচনায় ওঠেনি। স্পিকারের কার্যালয় থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলে নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ভিওডি বাংলা/এমএস









মন্তব্য