• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
বিদেশ যাচ্ছেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ফুটপাতের জন্য ১৫৪ গাছ কাটার উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নবনিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জুলাই অভ্যুত্থানে সক্রিয় ছিল ইসলামী আন্দোলন: চরমোনাই পীর যাত্রাবাড়ীতে ৭০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনেই উত্থান, সেই প্রশ্নফাঁসের জেরেই ধর্মেন্দ্রর বিদায় ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী হলেন প্রহ্লাদ জোশী কে এই অভিজিৎ, কীভাবে ‘ককরোচ’ আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠলেন সাবেক এমপি বদির বোন জামাই ইয়াবাসহ আটক বধির ক্রীড়াবিদদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা চাইলেন ডিএসসিসি প্রশাসক

বার্লিনে কেন জড়ো হচ্ছেন হাজার হাজার টাক মাথার মানুষ?

  ভিওডি বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ:  ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:১১ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে এবার বসতে যাচ্ছে এক ব্যতিক্রমী সমাবেশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় টাক মাথার মানুষের জমায়েতের চেষ্টা নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন টাক ও চুলওয়ালা-উভয় ধরনের মানুষই। তবে এর উদ্দেশ্য শুধু রেকর্ড গড়া নয়; আত্মস্বীকৃতি, আত্মবিশ্বাস এবং বৈচিত্র্যকে উদযাপন করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। 

বার্লিনের গোরলিৎসার পার্কে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা বার্লিন বাল্ড টুগেদার-এর প্রতিষ্ঠাতা আদ্রিয়েন বকিয়ে। তাঁর ভাষায়, লাল চুলের মানুষ কিংবা বিভিন্ন থিমভিত্তিক পোশাকের সমাবেশ থাকলেও টাক মাথার মানুষদের নিয়ে এমন কোনো আয়োজন চোখে পড়েনি। সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

আদ্রিয়েন জানান, এই আয়োজনের পেছনে রয়েছে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও। তিনি ১১ বছর বয়স থেকেই অ্যালোপেশিয়া রোগে আক্রান্ত, যার ফলে অল্প বয়সেই মাথার চুল হারান। যদিও তিনি বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পেরেছিলেন, কিন্তু অনেক মানুষের জন্য-বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে-চুল হারানো আত্মবিশ্বাসে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

তিনি বলেন, "অনেকেই মনে করেন চুল না থাকলে তারা আর আকর্ষণীয় নন। আমি চাই, বিশেষ করে যেসব শিশু অল্প বয়সে চুল হারিয়েছে, তারা বুঝুক-টাক হওয়া কোনো সমস্যা নয়। তারা অন্য সবার মতোই স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে, বন্ধু পেতে পারে, পরিবার গড়তে পারে এবং নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করতে পারে।"

আয়োজকদের মতে, এই অনুষ্ঠান কেবল টাক মাথার মানুষের জন্য নয়। চুল আছে এমন মানুষও এতে অংশ নিতে পারবেন। কারণ সমাজের বৈচিত্র্যকেই একসঙ্গে উদযাপন করাই তাদের উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে থাকবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টাক মাথার সমাবেশের প্রচেষ্টা, বিভিন্ন মজার খেলা, প্রতিযোগিতা এবং অংশগ্রহণকারীদের ভোটে সেরা টাক মাথার প্রতিযোগী নির্বাচনের আয়োজন।

তবে আদ্রিয়েনের কাছে রেকর্ড গড়ার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ মানুষের অংশগ্রহণ।

তিনি বলেন, "বিশ্বরেকর্ড করতে পারলে ভালো লাগবে। কিন্তু সবচেয়ে বড় অর্জন হবে যদি মানুষ একসঙ্গে আনন্দ করতে পারে, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয় এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে পারে।"

তার মতে, এই আয়োজন টাক হওয়ার প্রচারণা নয়; বরং আত্মস্বীকৃতি ও আত্মবিশ্বাসের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি উদ্যোগ।

"চুল থাকুক বা না থাকুক-দুটোই সুন্দর। পৃথিবীতে যেমন নানা ধরনের সৌন্দর্য রয়েছে, তেমনি টাক মাথাও সেই সৌন্দর্যেরই একটি অংশ," বলেন তিনি।

সূত্র: দ্য বারলাইনার

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩৫
ছবি: সংগৃহীত
ইরানি হামলার শঙ্কায় ট্রাম্পের বিমান পরিবর্তন
ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনেই উত্থান, সেই প্রশ্নফাঁসের জেরেই ধর্মেন্দ্রর বিদায়