ইয়াবাসহ আটক এনসিপি নেতা শাকিল খান

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা শাকিল খানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাইবান্ধা জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তর) রাশেদুল ইসলাম জুয়েলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাকিল খানের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী আচরণ এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার কর্মকাণ্ড দলের নীতি, আদর্শ ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত গাইবান্ধা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব চৌধুরী রাহাত ইবনে শহীদের যৌথ সিদ্ধান্তে কার্যকর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুন্দরগঞ্জ থানার কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই (নিরস্ত্র) মো. নওশের আলীর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর বাজার এলাকার জোবেদা ফিলিং স্টেশনের ক্যাশ কাউন্টারের পাশের খোলা স্থান থেকে মাদক কেনাবেচার অভিযোগে শাকিল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের ডান পকেট থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো আটটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় এসআই মো. নওশের আলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক) অনুযায়ী রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলায় কোনো ভুক্তভোগী নেই এবং উদ্ধার হওয়া আটটি ইয়াবা ট্যাবলেট আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য