বাবরের কারসাজিতেই এমন পরিণতি পাকিস্তানের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
আইসিসি টুর্নামেন্টে ব্যর্থ পাকিস্তান। এ নিয়ে তিন বার দলটা আইসিসি ইভেন্টের প্রথম রাউন্ড পার করতে ব্যর্থ হলো। দলের চলমান এ সংকট কোনো হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। বিশেষজ্ঞ ও সাবেক ক্রিকেটাররা মনে করেন, এই অবস্থা তৈরির ইঙ্গিত কয়েক বছর ধরেই ছিল।
পাকিস্তানের এই দুরবস্থার জন্য বড় দায় দেওয়া হচ্ছে সাবেক অধিনায়ক বাবর আজমকে, যিনি অভিযোগের মুখে পড়েছেন ‘বন্ধুত্বের’ ভিত্তিতে দলে খেলোয়াড় বাছাই করার এবং যোগ্য খেলোয়াড়দের উপেক্ষা করার জন্য। পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ, যিনি নিজেও কয়েক বছর ধরে জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন, বাবরের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতিত্বের’ অভিযোগ তুলেছেন।
শেহজাদ বলেন, ‘ওকে এই অবস্থায় দেখে খারাপ লাগছে। যখন ওর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল, মনে হয়েছিল পাকিস্তানের হয়ে সব রেকর্ড ভেঙে দেবে। কিন্তু এখন সবই আপনার চোখের সামনে—একজন খেলোয়াড় এতদিন ধরে ব্যর্থ হতে পারে না। একজন পারফরমারকে অধিনায়ক বানানো ভুল ছিল। অধিনায়ক হওয়ার পর সে বন্ধুদের চারপাশে ঘিরে রেখেছিল এবং তাদের দলে সুযোগ দিয়েছিল, যোগ্য খেলোয়াড়দের উপেক্ষা করেছিল। যখন বন্ধুত্বের ভিত্তিতে সুযোগ দেওয়া হয়, তখন ঘরোয়া ক্রিকেটের চাকা বন্ধ হয়ে যায়, কারণ প্রকৃত পারফরমাররা যথেষ্ট সুযোগ পায় না।’
শেহজাদ আরও বলেছেন, পাকিস্তানের ক্রিকেটে সবসময়ই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছিল, যা খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এমনকি কোচিং স্টাফ নির্বাচনেও প্রভাব ফেলেছে। তার মতে, এই রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক দিন ধরেই দল নির্বাচনে ‘যোগ্যতা’ একমাত্র মানদণ্ড ছিল না।
‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সবসময়ই ছিল; এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে দলের এই অবস্থা গত দুই বছরের জন্য নয়, এটি অনেক দিন ধরেই চলছে। যখন আপনি সংস্কার আনেন না, যোগ্যতাকে মর্যাদা দেন না, এবং দলের অনুশাসন নিয়ন্ত্রণ করেন না, তখন এমন ফলাফল আসবেই’ যোগ করেন শেহজাদ।
ভিওডি বাংলা/এম







