টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা ২০ লাখ টন পণ্য

টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যাহত হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। এ সময় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের জেটিতে পণ্য ওঠানো-নামানো এবং ডেলিভারিতে (সরবরাহ) ধীরগতি দেখা দিলে ইয়ার্ড-শেডে আটকা পড়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য।
একইভাবে বহির্নোঙরে অবস্থানরত মাদার ভেসেল থেকে খালাস কয়েকদিন বন্ধ থাকায় সেখানে ৬০ টিরও বেশি মাদার ভেসেলকে (সমুদ্রগামী বড় জাহাজ) অলস বসে থাকতে হয়েছে। এসব জাহাজে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ২০ লাখ টন পণ্য। বন্দরের ভেতরে ও বেসরকারি ডিপোতে বৃষ্টিজনিত কারণে পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগও উঠেছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ ক্ষতি নিরূপণের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পণ্য ওঠানো-নামনো ব্যাহত এবং পানিতে নষ্ট হওয়ার কারণে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের সাপ্লাই চেইনেও।তবে বৃষ্টি কমে আসায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বন্দরের হ্যান্ডলিং কার্যক্রম। এরইমধ্যে বহির্নোঙরে পণ্য খালাস শুরু হয়েছে। জেটিতে পণ্য ওঠা-নামা এবং ডেলিভারিতেও গতি বাড়ছে। গত রবিবার (৫ জুলাই) থেকে চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিপাত শুরু হয় যা প্রায় এক সপ্তাহ অব্যাহত ছিল। আর এই সময়েই বৈরি আবহাওয়ায় বন্দরের স্বাভাবিক পণ্য হ্যান্ডলিং ব্যাহত হয়।
চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, বৃষ্টিতে বন্দরে পণ্য হ্যান্ডলিং স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম হয়েছে। জেটি ও বহির্নোঙরে অনেক পণ্য আটকা পড়েছে। আমদানি ও রপ্তানিকারকরা এজন্য ক্ষতির মুখে পড়েছেন।








মন্তব্য