বিপদসীমার নিচে নদ-নদীর পানি, নেই বন্যার শঙ্কা

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত কমে আসায় পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হয়েছে। সিলেট জেলার সকল নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে নদীর পানিও ধীরে ধীরে কমতে শুরু করায় আপাতত বন্যার কোনো শঙ্কা নেই। এদিকে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত কম থাকায় সিলেটের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানির স্তর কিছুটা কমেছে এবং সব নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত আরও কমে গেলে সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, পিয়াইন ও বাসিয়াসহ জেলার সব নদ-নদীর পানি ক্রমান্বয়ে কমতে থাকবে। ফলে এ মুহূর্তে সিলেটে বড় ধরনের বন্যা বা নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা নেই।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ কালবেলাকে বলেন, বর্তমানে সিলেটের সকল নদ-নদীর পানির স্তর স্থিতিশীল রয়েছে এবং সব পয়েন্টেই পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমার কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার, সিলেট নগর পয়েন্টে ৯০ সেন্টিমিটার এবং অমলশিদ পয়েন্টে ৮৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত কমে গেলে সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, পিয়াইন, বাসিয়াসহ সব নদীর পানি ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করবে।
দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, এ মুহূর্তে সিলেটে বড় ধরনের বন্যা বা নতুন করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। নদীর পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি না পাওয়ায় পরিস্থিতি ইতিবাচক রয়েছে। আশা করছি আগামী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে বন্যার পানি আরও কমবে এবং পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে। তাই সিলেট অঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।








মন্তব্য