আর্জেন্টিনা নয় সেমির আগে বেশি সুবিধা পাচ্ছে ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। শেষ চারের মহারণে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগে দুই দলের প্রস্তুতির চিত্রে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য।
কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারাতে অতিরিক্ত সময় খেলতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। তবে চলতি বিশ্বকাপে এটিই ছিল থমাস টুখেলের দলের প্রথম ম্যাচ, যা নির্ধারিত ৯০ মিনিটের গণ্ডি পেরিয়েছে।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে টানা দুই নকআউট ম্যাচে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়তে হয়েছে। শেষ ৩২-এ কেপ ভার্দে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় মাঠে থাকতে হয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের।
ফলে ইংল্যান্ডের তুলনায় বেশি শারীরিক ধকল গেছে লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেসসহ আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের ওপর। পাশাপাশি কোয়ার্টার ফাইনালে আগে মাঠে নামায় সেমিফাইনালের আগে কয়েক ঘণ্টা বেশি বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন হ্যারি কেইনরা। টুর্নামেন্টের এ পর্যায়ে এটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পরবর্তী ম্যাচের আগে হাতে চার দিনেরও কম সময় থাকায় খেলোয়াড়দের দ্রুত পুনরুদ্ধার করাই এখন আর্জেন্টিনা কোচিং স্টাফের প্রধান লক্ষ্য। সেমিফাইনালের মতো উচ্চচাপের ম্যাচে দলের সর্বোচ্চ শারীরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করাই স্কালোনির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
তবে বিশ্রামে ইংল্যান্ড এগিয়ে থাকলেও ভ্রমণের হিসাবে চিত্র ভিন্ন। চলতি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠা চার দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পথ পাড়ি দিতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। টুর্নামেন্টজুড়ে বিভিন্ন ভেন্যুতে খেলতে গিয়ে আকাশপথে প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ কিলোমিটার ভ্রমণ করেছেন হ্যারি কেইন, বুকায়ো সাকা ও তাদের সতীর্থরা।
সব মিলিয়ে সেমিফাইনালের সমীকরণ শুধু কৌশল বা ফুটবলীয় দক্ষতার নয়; ক্লান্তি, বিশ্রাম, ভ্রমণ এবং মানসিক দৃঢ়তাও ম্যাচের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আর প্রতিপক্ষ যখন আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড, তখন ইতিহাস ও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ এই মহারণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
ভিওডি বাংলা/আ








মন্তব্য