• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার এইচএসসি পরীক্ষায় এআই ব্যবহার করে নকল, পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

বাপ্পারাজের যে কথায় কেঁদেছেন মুক্তি

  বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ৮ জুন ২০২৬, ০৪:২২ এ.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে এফডিসিপাড়ায় যখন আলোচনা বাড়ছে, তখন একটি সিদ্ধান্তে আবেগপ্রবণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে আসেন নায়করাজ রাজ্জাকের ছেলে বাপ্পারাজ। আর এতেই সিদ্ধান্তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি।

মুক্তির মতে, জীবনে মাত্র দুবার প্রকাশ্যে কেঁদেছেন তিনি। প্রথমবার বাবার মৃত্যুর পর। দ্বিতীয়বার কেঁদেছেন কয়েকদিন আগে, যখন বাপ্পারাজ তাঁকে জানান যে তিনি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নেবেন না।

শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন সামনে রেখে সভাপতি পদে বাপ্পারাজের নাম ঘোষণার পর শিল্পীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে একই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মুক্তি ছিলেন সবচেয়ে আশাবাদী ও উচ্ছ্বসিত। নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন পরিকল্পনা, বৈঠক ও আড্ডাতে একসঙ্গে দেখা গেছে তাঁদের। কিন্তু সেই সমীকরণ বদলে যায় হঠাৎ করেই।

গত সপ্তাহে বাপ্পারাজ জানান, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কথা উল্লেখ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসায়িক কারণও আছে। নির্বাচন করে যদি সময় দিতে না পারি, তাহলে বিষয়টা ভালো দেখায় না। তাই নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

বাপ্পারাজের এই ঘোষণার পর কী পরিস্থিতি হয়েছিল, সেটি নিজেই জানালেন মুক্তি। তিনি বললেন, ‘আমি কারও সামনে কখনো কান্না করি না। জীবনে দুবার কেঁদেছিলাম। একবার বাবা মারা যাওয়ার পর। আরেকবার এই কদিন আগে। যখন বাপ্পা ভাই বললেন, নির্বাচন করবেন না। আমি বাসায় গিয়ে হাউমাউ করে কেঁদেছি। তখন খুব টেনশনে ছিলাম। ভাবছিলাম, এখন কী করব, কোথায় যাব। নির্বাচনের তো আর বেশি সময় নেই।’

বাপ্পারাজের সরে দাঁড়ানোর পর পুরো প্যানেল নতুন করে সভাপতি প্রার্থী খোঁজার কাজে নামে। তখনই সামনে আসে ফাইট ডিরেক্টর আরমানের নাম। মুক্তি বলেন, ‘আমাদের একজন সিনিয়র বললেন, আরমান হতে পারে। সত্যি বলতে, আমাদের কারও মাথায় তাঁর নাম ছিল না। কারণ, আরমান (ফাইট ডিরেক্টর আরমানকে মামা বলে ডাকেন) মামা সব সময় আমাদের সঙ্গে ছিলেন, পুরো প্যানেল সাজানোর কাজও করছিলেন। তিনি নিজেও চাইছিলেন কোনো নায়ক সভাপতি পদে আসুক। কিন্তু পরে আমরা ভাবলাম, আরমান মামাই তো এফডিসির প্রকৃত হিরো। ভোটারদের মতামত ও চাওয়ার ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত তাঁকেই সভাপতি পদে চূড়ান্ত করা হয়।’

ভিওডি বাংলা/এফএ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
উর্বশী রাউতেলা
২৩ সেকেন্ডের অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস করলেন উর্বশী
স্নিগ্ধা চৌধুরী
বিচার না পেলে আত্মহত্যার হুমকি স্নিগ্ধা চৌধুরীর
ছবি: সংগৃহীত
রুনা লায়লার প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হয়নি: মনির খান