• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
হেপাটাইটিসমুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার

আদালতে নেওয়া হয়েছে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্নাকে

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২৪ মে ২০২৬, ১২:১৭ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। ইনসেটে নিহত শিশু রামিসা । ছবি : সংগৃহীত
আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। ইনসেটে নিহত শিশু রামিসা । ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের আলোচিত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) সকাল সোয়া ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের আদালতে নেওয়া হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন হিসেবে ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার হাতে এসেছে, যা মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি শনিবার (২৩ মে) বিকেলে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সব প্রমাণ ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে শিগগিরই আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়া হতে পারে। আদালতে আসামিদের হাজির করাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সতর্কতা অব্যাহত রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা রাজধানীর পল্লবীর একটি বেসরকারি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে না আসায় পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান। সন্দেহ হলে ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। সেখানে শিশুটির নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেওয়া হয়। একই দিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সেখানে তিনি ঘটনার সময়ের কিছু বিবরণ দেন, যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ঘটনার সময় বাসার ভেতরে আসামিদের উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে একাধিক প্রযুক্তিগত ও ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে ডিএনএ রিপোর্ট অন্যতম।

একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা পৃথক দুটি আবেদন করেন। এর মধ্যে ছিল একজন আসামির জবানবন্দি রেকর্ড এবং অন্যজনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন।

সিআইডি ও পুলিশের যৌথ তদন্তে মামলাটি এখন চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ, সাক্ষ্য ও জবানবন্দি মিলিয়ে একটি শক্তিশালী চার্জশিট প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পল্লবী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা শিশু হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
তদবির করতে এসে ‘ভুয়া বিসিএস কর্মকর্তা’ আটক
নজরুল ইসলাম
সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত
খিলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী পাগলা সোহেলকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ