রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৮০টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। একই সঙ্গে ৫৩৪টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ২১১টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ এ তথ্য জানায়। সংস্থাটি জানায়, সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবে পরিচালিত এ অভিযানে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযানে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে। সেখানে মোট ৩৫১টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি বাস, ২০টি ট্রাক, ২৭টি কাভার্ডভ্যান, ২৬টি সিএনজি অটোরিকশা এবং ১৯৮টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এছাড়া ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩১৩টি, ট্রাফিক-ওয়ারীতে ২৯৪টি, ট্রাফিক-তেজগাঁওয়ে ২৮৭টি এবং ট্রাফিক-উত্তরায় ২৭৪টি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২২০টি, ট্রাফিক-গুলশানে ১৮৭টি এবং ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৫৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, রমনায় ৯টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ৯টি সিএনজি ও ৫০টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লালবাগে ২৮টি বাস, ৯টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ২২টি সিএনজি এবং ১২৫টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মতিঝিল এলাকায় ২৮টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৭৫টি সিএনজি ও ১২২টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ওয়ারী বিভাগে ৪৩টি বাস, ৪১টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ডভ্যান, ৩৮টি সিএনজি এবং ৭৩টি মোটরসাইকেল আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
এদিকে তেজগাঁও বিভাগে ২২টি বাস, ২টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৪৪টি সিএনজি ও ১৪৩টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উত্তরা বিভাগে ৭১টি বাস, একটি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি এবং ৬০টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুলশান বিভাগে ২২টি বাস, একটি ট্রাক, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ২৫টি সিএনজি ও ৬৮টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও যানজট নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতেও ট্রাফিক বিভাগের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ভিওডি বাংলা/জা









মন্তব্য