ঈদ উপহার পেলেন আনসার-ভিডিপির ২৮,৩৬৫ সদস্য

চলতি বছরের পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেশের ২৮ হাজার ৩৬৫ জন সদস্য ও কর্মচারীর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। ভাতাভোগী সদস্য-সদস্যা এবং ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য এই বিশেষ উপহার বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২৩ মে) ঢাকার খিলগাঁওয়ে অবস্থিত বাহিনীর সদর দপ্তরে এই কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সারাদেশের ৬৪ জেলার উপকারভোগীদের মধ্যে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া সম্পন্ন হয়।

প্রতিরক্ষা বাহিনী সূত্র জানায়, ঈদকে সামনে রেখে সদস্যদের পারিবারিক আনন্দ ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিতরণকৃত প্যাকেটে ছিল পোলাওয়ের চাল, সেমাই, সুজি, গুঁড়া দুধ, নুডলস, চিনি এবং রান্নার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন মসলা। এসব সামগ্রী ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতিকে আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক করার লক্ষ্যেই প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক তার বক্তব্যে বাহিনীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সংস্কার পরিকল্পনা ২০৩৫ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নির্ধারিত লক্ষ্য থেকে কোনোভাবেই বিচ্যুত হওয়া যাবে না। অতীত নিয়ে না ভেবে এখন আমাদের সামনে থাকা সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাহিনীর সক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এই অগ্রগতি আরও গতিশীল হবে। দায়িত্বশীলতা, নিষ্ঠা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিটি সদস্যকে এই উন্নয়নযাত্রায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন উপমহাপরিচালকবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তারা এ ধরনের কল্যাণমূলক উদ্যোগকে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ বন্ধন ও পারস্পরিক আস্থার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।
উপকারভোগী সদস্যদের মতে, ঈদের আগে এ ধরনের উপহার পাওয়া তাদের পারিবারিক আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে এটি বাহিনীর প্রতি তাদের দায়িত্ববোধ ও কর্মপ্রেরণাকে আরও শক্তিশালী করে।
বাহিনী সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নিয়মিত কল্যাণমূলক কর্মসূচি শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং এটি একটি মানবিক ও প্রেরণামূলক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, শৃঙ্খলা এবং কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পায়, যা সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভিওডি বাংলা/জা







