• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

দেশের প্রথম সংস্কারক হচ্ছেন জিয়াউর রহমান- সালাম

   ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৮:৩৪ পি.এম.

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, নির্বাচন যে কোনো সময় হবে, তাই এখন থেকেই জনগণের কাছে ৩১ দফা উপস্থাপন করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিল থানা বিএনপির উদ্যোগে মতিঝিল কলোনী ঈদগাহ মাঠে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আবদুস সালাম বলেন, বিএনপি যদি চাইত, ৫ই আগস্টের পর বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠন করে ক্ষমতায় যেতে পারত। যেটা অন্যান্য দল করতে চেয়ে ছিলো। কিন্তু বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায়। আর সেই জন্যই আমরা নির্বাচন চাই। আর যারা নির্বাচনে ভয় পায়, নিশ্চয়ই জনগণ তাদেরকে ভালোবাসেন না। আর আমরা নির্বাচন চাই, কারণ জনগণ আমাদের সাথে আছে।

তিনি বলেন, সকল ষড়যন্ত্রকে ভেদ করে এই দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়া, গণতন্ত্র রক্ষা করা, স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্যই বিএনপির জন্ম হয়েছে। যে পর্যন্ত মানুষের হারিয়ে যাওয়া ভোটের অধিকার, রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে না পারবো, সেই পর্যন্ত আমাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত নয়। সেই কারণেই বলবো, আমরা যারা বিএনপি করি, বিএনপি একটি আদর্শের দল। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করতেই বিএনপি’র জন্ম হয়েছে। এবং সেই রাজনীতি এদেশের জনগণ গ্রহণ করেছে। কারণ বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি। সঠিক নেতৃত্ব এবং সঠিক রাজনীতি বিএনপিকে আজকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।

সংস্কার প্রসঙ্গে আবদুস সালাম বলেন, এই দেশের প্রথম সংস্কারক হচ্ছেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেন, তখন এই দেশ চলছিলো না। আওয়ামী লীগের লুটতরাজের কারণে মানুষ খাবার পাচ্ছিলো না। পড়নে কাপড় ছিলো না। সেনাবাহিনীতে ডিসিপ্লিন ছিলো না। কু, কাউন্টার কু হচ্ছিলো। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছিলো। শিক্ষাঙ্গণে কোনো পড়াশোনা ছিলো না। কিন্তু, জিয়াউর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়ার পর মাত্র দুই বছরের মাথায় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, শিক্ষাঙ্গণ এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ছিলেন।

তিনি বলেন, আজকে পরিষ্কার কথা, বাংলাদেশের রাজনীতি দুই ভাগে বিভক্ত। এর মাঝামাঝি কোনো কিছু নাই। একটা হলো, আধিপত্যবাদী ওই ভারতের পক্ষের দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির স্রোতধারা। আরেকটা হলো, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের রাজনীতির ধারা। আজকে যারা জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করতে চান তাদেরকে মেরে ফেলতে চায়। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে শহীদ করা হয়েছে। খালেদা জিয়াকে, তারেক রহমানকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনো অনেকে বলেন নির্বাচন দিলে বিএনপি ক্ষমতায় চলে আসবে। তাই নির্বাচন যত পেছানো যায়। হাসিনাও বলতো, নির্বাচন কার জন্য দিবো? ওই তারেক এসে দেশ চালাবে সেটার জন্য? এখনও ষড়যন্ত্র চলছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনুর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব তানভীর হাসান রবিন সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ডা. মাহাদী আমিনসহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এবং মতিঝিল থানা বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ভিওডি বাংলা/ রিয়াদ/ এমএইচ


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে পারেন ঈদের আগেই
শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে পারেন ঈদের আগেই
শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম
শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম
আমি আমার পূর্বের বক্তব্য সরিয়ে নিলাম: মামুনুল হক
আমি আমার পূর্বের বক্তব্য সরিয়ে নিলাম: মামুনুল হক